প্রতিযোগিতার বিশ্বে টিকে থাকতে হাল ফ্যাশনের পোশাক তৈরির তাগিদ দিচ্ছেন বিদেশি ক্রেতারা। এজন্য তারা দক্ষ কর্মী করে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। বিজিএমইএ বলছে, কর্মীদের প্রশিক্ষণে বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।

সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ব্রান্ড ফোরাম এবং আর্ন্তজাতিক শ্রম সংস্থা আয়োজিত সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। দেশের তৈরি পোশাক খাতে কাজ করছেন প্রায় ৪৪ লাখ কর্মী। চার দশক আগে রপ্তানিমুখী এ শিল্পের যাত্রা শুরু হলেও এখনো দক্ষ লোকবল সংকটে এ শিল্প। দক্ষ কর্মী সংকট কাটাতে একটি কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ের তোলা দরকার বলে মনে করছেন পোশাক খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, এতে পণ্যের মান বাড়ার পাশাপাশি বাড়বে শ্রমিকের বেতন। পোশাক শ্রমিকের উন্নয়ন এবং প্রশিক্ষণে বড় সব বিদেশি ক্রেতাদের এগিয়ে আসা উচিত। দেশের কিছু মানুষ বিদেশে বসে পোশাক খাত নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ায় এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এ শিল্পে।

বাংলদেশ থেকে রপ্তানি পোশাকের ৪০ ভাগই সাধারণ মানের। রপ্তানি আয় এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে পণ্যে বৈচিত্র্য আনার কথা বলছেন বড় ক্রেতারা। বাংলাদেশের এইচ এন্ড এম ব্যবস্থাপক কিরণ গোকাথতি জানান, বিশ্ব বাজারে পোশাক খাতে বাংলাদেশের অবস্থান ধরে রাখতে বেসিক পোশাকের পাশাপাশি ফ্যাশনের দিকে যেতে হবে। এছাড়া, উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পোশাকের গুণগত মান এবং শ্রমিকদের মজুরীর বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেয়া উচিত।

প্রশিক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে পোশাক খাতকে এগিয়ে নিতে ক্রেতা-রপ্তানিকারক উভয়কে একসাথে কাজ করার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

অর্থনীতি ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে