ভারতের মিজোরামে পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আস্তানা থাকায় উদ্বেগ জানিয়েছেন বিজিবি। তাদের সেই ঘাঁটি ধ্বংস করার আহ্বান বিজিবির। অন্যদিকে, এমন কোনো আস্তানা থাকলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানানো হয়েছে বিএসএফের তরফে। বাহিনী দুটির মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫১তম সীমান্ত সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে যৌথ টহলের উদ্যোগের কথাও বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সংকটের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত সীমান্ত হত্যা। আইন ও শালিস কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৯ মাসে সীমান্তে প্রাণ গেছে বাংলাদের ৪১ বেসামরিক নাগরিকের।এ প্রসঙ্গ উঠে আসে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫১তম সম্মেলনে। এতে সিদ্ধান্ত হয়, সীমান্ত হত্যা শূণ্যের ঘরে নামিয়ে আনতে রাতে যৌথ টহল দেবে দুই বাহিনী। অদূর ভবিষ্যতে প্রাণহানি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান বিএসএফ মহাপরিচালক রাকেশ আস্তানা।আর ভারতের মিজোরামে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আস্তানা রয়েছে জানিয়ে এ নিয়ে উদ্বেগ জানান বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম । সেসব আস্তানা ধ্বংসে ঢাকার আহ্বানে বিএসএফ মহাপরিচালক জানান, এমন কোনো আস্তানা থেকে থাকলে, এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এছাড়া, মাদক, মুদ্রা, আগ্নেয়াস্ত্রসহ সব ধরনের চোরাচালান বন্ধে চোরাকারবারী সম্পর্কিত তথ্য দুদেশের মধ্যে আদান-প্রদান ও প্রয়োজনে যৌথ অভিযান পরিচালনায় সম্মত হয়েছে বিজিবি-বিএসএফ।

তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে