বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ১০.৩০ টায় বিজয় র্যালি, সকাল ১০.৪০ টায় বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকাল ১০.১০ টায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
এ দিনটি উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ও দেশাত্ববোধক গান পরিবেশনের পাশাপাশি প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্যের বাংলো, বিশ্ববিদ্যালয় গেইট সংলগ্ন দেয়ালসমূহ ও হলসমূহের সম্মুখভাগে আলোক সজ্জিত করা হয়েছে। শহীদ মিনার ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকতা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কর্তৃক পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় উপাচার্য প্রফেসর ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, আমি বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধুর একক নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে, জীবনের সুন্দর সোনালী দিনগুলো জেলখানায় কাটিয়ে, জীবন ও পরিবারের ঝুঁকি নিয়ে বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব দিয়ে এ দেশ স্বাধীন করেছেন।
একক নেতৃত্ব তো তাঁরই হবে। সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনায় বেশি সময় পাননি কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনার হেড লাইন তিনি তৈরী করে দিয়েছিলেন। সেই হেড লাইন অনুযায়ী যিনি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছেন তিনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের জন্য। শিক্ষার্থীরা আমাদের প্রোডাক্ট। আমরা যা বলি, তা যদি বিশ্বাস করি এবং সে অনুযায়ী কাজ করি, তবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে অনেক দূর।
মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ নামক ভূখন্ড পেয়েছি। ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জাতির সামনে তুলে ধরেছিলেন তাঁর অভিব্যক্তি, তাঁর ইচ্ছা যা ছিল বাঙালি জাতির ইচ্ছার প্রতিফলন। ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঘোষণার মধ্য দিয়েই এই বাঙালি জাতি তার স্বাধীনতার জন্য, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য, উচ্চ শিক্ষার জন্য, সুশিক্ষিত সভ্য জাতির জন্য লড়াই করেছিলেন। অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু একক নেতৃত্বে বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ। তিনি আরও বলেন, ভাস্কর্য ও মুর্তি নিয়ে আজ তর্ক-বিতর্ক চলছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন ধার্মীক ও বুদ্ধিদীপ্ত নেতা। আলেম সমাজের প্রতি আহবান জানচ্ছি, আপনাদের কোন মতামত থাকলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট তা পেশ করুন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এখানে দ্বিমতের কোন সুযোগ নেই।
বিজয় দিবসের কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করার জন্য আইন অনুষদের ডিন ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ রশিদুল ইসলাম শেখ সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইমস নিউজ



























