
করোনার ছয় মাসে প্রায় ৩’হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বিমান। বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর ক্ষতির পরিমাণও প্রায় সমান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে রাজস্ব হারিয়েছে তা আর ফিরে পাওয়া যাবে না ধরে নিয়েই ঘুরে দাঁড়াতে হবে এয়ারলাইন্সগুলোকে।
বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি শুরুর পর মার্চ থেকে বন্ধ হয়ে যায় সব আভ্যন্তরীণ ও বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। জুলাই থেকে আভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট শুরু হলেও বিভিন্ন দেশের নিষেধাজ্ঞায় বন্ধ ছিলো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। সেপ্টেম্বর থেকে সীমিত পরিসরে কয়েকটি রুটে আবারো ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়। তবে তাতেও দেয়া হয় বিভিন্ন বিধিনিষেধ। এই দুর্যোগে আয় প্রায় শূন্যে নেমে আসে দেশি এয়ারলাইন্সগুলোর। মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শুধু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সই যাত্রী পরিবহন থেকে রাজস্ব হারিয়েছে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।
মহামারির আগে সপ্তাহে ৯৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালাতো বেসরকারি ইউএস বাংলা এয়ার। তাদের ফ্লাইট সংখ্যা নেমে আসে মাত্র একটিতে। ঘুরে দাঁড়াতে সরকারি বিভিন্ন ফি ও চার্জ সমন্বয়ের প্রস্তাব বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোভিড পরবর্তী সময়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে দেশী এয়ারলাইন্সগুলোর জন্য। এখন থেকে ব্যবসা পরিকল্পনা গুছিয়ে নেয়ার পরামর্শ তাদের। বিশ্বে করোনা মহামারি শুরু হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এভিয়েশন ও পর্যটন খাত। ধাক্কা সামলাতে না পেরে কার্যক্রমও গুটিয়ে নিয়েছে অনেক এয়ারলাইন্স। চাকরি হারিয়েছেন কয়েক লাখ কর্মী।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ





























