দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহায়তা কার্যক্রমের টাকা আত্মসাৎ করছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র। চিকিৎসার ভুয়া কাগজ ও জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি করে দীর্ঘদিন ধরে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছে চক্রটির প্রধান শাহিদুল আলম। এ হেন কর্মকাণ্ডে অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তাও জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার তালবাড়িয়া গ্রামের শাহিদুল আলম। সমাজসেবা অধিদপ্তরের চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন। শাহিদুল নিজে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কেউ নয়। তার এসব কর্মকাণ্ডের দোসর অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম কাওসার। কাওসার আর শাহিদুল মিলে গরিব ক্যান্সার-কিডনী রোগীদের চিকিৎসা সহায়তার টাকা আত্মসাতের সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।
কিডনি রোগি না হলেও শাহিদুল নিজের বাবা- মাসহ পুরো পরিবারকে দিয়ে আত্মসাত করেছেন সরকারি টাকা। তার গ্রামের প্রায় শতাধিক লোককেও এভাবে সমাজসেবা অফিসের চিকিৎসা সহায়তার টাকা আত্মসাতের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন শাহিদুল। আসল রোগীদের নাম মাত্র টাকা দিয়ে বেশিরভাগ টাকা মেরে দেন তিনি।
শাহিদুল সিন্ডিকেটে আছে নড়াইল সমাজ সেবা অফিসের বেশি কিছু কর্মকর্তা কর্মচারী। এমনকি চক্রটি ক্যান্সার রোগী এক শিশুর টাকাও আত্মসাৎ করতেও দ্বিধা করেনি। এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি সমাজসেবা অধিপ্তরের কোনো কর্মকর্তা।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























