বিদ্যুতের নতুন গ্রাহকদের প্রিপেইড মিটার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এছাড়া, ২০২৩ সালের মধ্যে সারা দেশ স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনা হবে। একথা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সচিব ড. সুলতান আহমেদ। তবে অপচয় বা চুরি ঠেকাতে বাসা-বাড়ির চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে আগে স্মার্ট প্রিপেইড মিটার বসানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

করোনাকালের লকডাউনে অসামাঞ্জস্য বিলের চরম ভোগান্তিকে পড়েন বিদ্যুতের গ্রাহকরা। মিটারের রিডিংয়ের চেয়ে কয়েক গুন বাড়তি বিলের বোঁঝা চাপে গ্রাহকের কাঁধে। তবে, স্বস্তিতে ছিলেন প্রিপেইড মিটারের গ্রাহকরা।বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনে ৬টি বিতরণ কোম্পানির গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ। এদের প্রায় ৩৪ লাখ প্রিপেইড মিটারের আওতায়। আগামী অর্থবছরে যা চার কোটিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ। আর দেশের সব গ্রাহকে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনার লক্ষ্য ২০২৩ সালের মধ্যে। এতে খরচ ধরা হয়েছে ১২ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে প্রথম প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কাজ শুরু হয়। সে সময় বিদ্যুতের অপচয় বা চুরি ছিলো ১৪.১৩ শতাংশ। প্রিপেইড মিটার স্থাপনের পর ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে যা ১০.৭৯ শতাংশে নেমে এসেছে।

তবে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের গতিতে সন্তুষ্ট নন বিশেষজ্ঞরা। বুয়েটের অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বড় বড় শিল্প কারখানায় কিভাবে বাস্তবায়ন হবে তা স্পষ্ট নয়। প্রিপেইড মিটার ত্রুটিমুক্ত ও মানসম্পন্ন করার পাশাপাশি এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে লক্ষ্য অর্জন হবে না।

প্রিপেইড মিটারের সার্ভিস ও লাইফ টাইম নির্ধারণের পরামর্শ এই বিশেজ্ঞের। এছাড়া বিদ্যুত বিভাগের অসাধু কর্মচারীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ না করতে পারলে চুরির বিকল্প পন্থা বের হবে বলেও মনে করেন, তিনি।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে