দিনে অন্তত ৩’হাজার বিদেশগামীদের করোনা টেস্টের সক্ষমতা থাকলেও প্রতিদিন ৭-৮শ মানুষ আসছে মহাখালি করোনা আইসোলেশন সেন্টারে।

পরিচালক বলছেন, পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থাকায় সাধারণ মানুষের করোনা টেস্টের সুযোগ দেয়া যেতে পারে ডিএনসিসি করোনা আইসোলেশন সেন্টারে। এদিকে বিদেশগামীদের করোনা টেস্ট রিপোর্ট আরো কম সময়ে দেয়ার জন্য আইসোলেশন সেন্টারেই একটি ল্যাব স্থাপনের চিন্তা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মার্কেটের জন্য নির্ধারিত বিশাল এই ভবনে প্রায় দেড় মাস ধরে চলছে বিদেশগামীদের করোনা টেস্ট। প্রথম দিকে বিদেশ যাত্রার ৭২ ঘন্টার মধ্যে করোনা টেস্ট ও তার রিপোর্ট পাওয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে কিছুটা অস্বস্তি থাকলেও এখন অনেকটাই স্বাভিবিক মনে করছেন কেউ কেউ। তবে স্যাম্পল দিতে আসা অনেকেই মনে করেন বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো করোনা টেস্ট রিপোর্ট যদি আরো কম সময়ে দেয়া যায়। তাহলে অনেকটা শঙ্কামুক্ত থেকে বিদেশ যাত্রা করতে পারবেন যাত্রীরা।

আইসোলেশন সেন্টারের পরিচালক বলছেন, টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে এখন আর কোন অভিযোগ নেই। তবে দ্রুততম সময়ে টেস্ট রিপোর্ট দিতে আইসোলেশন সেন্টারেই একটি ল্যাব স্থাপনের আবেদন জানালেও মন্ত্রণালয় তাতে কর্ণপাত করেনি বলে জানান তিনি।

সক্ষমতা অনুযায়ী বিদেশেগামীদের পাশাপাশি এখানেই সাধারণ মানুষকেও সেবা দেয়া সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। তবে স্বাস্থ্য সচিব বলছেন, ল্যাব স্থাপনের বিষয়টি নিয়ে আলাপ আলোচনা চলছে। শিগগিরই তা বাস্তবায়ন করা হবে। সম্প্রতি বিদেশগামীদের করোনা টেস্ট খরচ কমিয়ে ১৫শ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে