করোনার সংক্রমণ ও বিশ্বজুরে তেলের দাম কমে যাওয়ায় বিদেশি কর্মী কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ। আর এতে বড় ধাক্কা পড়তে যাচ্ছে দেশের জনশক্তি খাতে। অনিশ্চয়তায় ছুটিতে দেশে আসা ২ লাখ প্রবাসী। রেমিটেন্সের ধারা অব্যাহত রাখতে জনশক্তির বিকল্প বাজার খোঁজার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
করোনা সংক্রমণ শুরুর পর ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে ফিরেছেন প্রায় ২ লাখ প্রবাসী। মার্চের পর বিশেষ ফ্লাইটে ফিরেছেন আরো প্রায় ২৩ হাজার। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন ৪১ হাজার, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩৮ হাজার ও মালয়েশিয়া থেকে ১৯ হাজার।
করোনা সংক্রমণ ও তেলের দাম কমে যাওয়ায় মন্দা চলছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। এ অবস্থায় আর্থিক সংকোচন নীতি গ্রহণ করেছে দেশগুলো। এর অংশ হিসেবে বিদেশি শ্রমিক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ। ক্রমান্বয়ে বিদেশি কর্মী প্রায় ৭০ ভাগ কমাতে কাজ করছে দেশগুলোর সরকার। যা বাস্তবায়ন হলে চাকরি হারাতে পারেন প্রায় ৫ লাখ বাংলাদেশি।
প্রবাসীকর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সাথে কুটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। বিদেশি কর্মী কমানোর এ সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত নয় বলে মত তার।
বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির বড় বাজার মধ্যপ্রাচ্য। বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন প্রায় ৫০ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ





























