স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না কোরবানির পশুর হাটে। ঢাকার বাইরে থেকে পাইকাররা আসা শুরু করলেও নেই তাপমাত্রা মাপা বা জীবাণুনাশকের ব্যবস্থা। এমনকি অনেকে মাস্কও ব্যবহার করছে না। এতে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি।
রাজধানীর আফতাবনগর আবাসিক এলাকা। এখানে পশুর হাট ইজারা দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছেন পাইকাররা। হচ্ছে ক্রেতা সমাগমও। করোনা পরিস্থিতিতে সব হাট-বাজার যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দেয়া হচ্ছে সেখানে এই হাটে মানা হচ্ছে না অনেক কিছুই। হাটের প্রবেশ পথে নেই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা। ঢাকার বাইরে থেকে আসা পাইকারদের শরীরের তাপমাত্রা মাপারও কোনো বন্দোবস্ত নেই। মাস্ক ছাড়াই ঘুরছেন ব্যবসায়ীদের অনেকেই।
ঢাকার আরেক হাট কমলাপুর। এখানেও নিশ্চিত হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। অথচ ইজারার শর্তেই আছে বিষয়টি। রাজধানীর ১৬টি পশুর হাটেরই অবস্থা কমবেশি একইরকম। ইজারাদাররা জানান পশুর হাটে পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা কঠিন।
সিটি করপোরেশন জানায়, রোববার থেকে পশুর হাটে নামবে ভ্রাম্যমাণ আদালত। কেউ শর্ত না মানলে করা হবে জরিমানা। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা সম্ভব না হলে পশুর হাট থেকেই বাড়বে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























