মুজিববর্ষে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম আশ্রয়ণ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে নির্মিত জলবায়ু উদ্বাস্তুদের আবাসন প্রকল্পে সব ধরণের আধুনিক সুবিধা থাকবে। থাকবে বড় খেলার মাঠ, সুপেয় পানিসহ ধর্মীয় স্থাপনা। শিশুদের জন্য থাকবে সুশিক্ষার ব্যবস্থা। এছাড়াও বর্জ্য শোধনাগার, পুলিশ ফাঁড়ি, ফায়ার স্টেশন, কমিউনিটি ক্লিনিক থাকবে। শুটকি শুকানোর আলাদা ব্যবস্থাসহ বড় শুটকির বাজারও গড়ে তোলা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা পর্যটন স্পট হিসেবেও সমাদৃত হবে।

দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্যার প্রকোপ আগস্ট-সেপ্টেম্বরে বাড়তে পারে। তবে ক্ষতি মোকাবিলায় প্রস্তুত আছে সরকার। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর নির্মাণ করে দেয়ারও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে দেশে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর গতি ভালো থাকলেও করোনায় বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলে জানান সরকার প্রধান।

জলবায়ু উদ্বাস্তুদের আবাসনের জন্য কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর কূল ঘেষে প্রস্তুত ২০টি দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। নাম দেয়া হয়েছে গুলমোহর, গোলাপ, ঝিনুক। ২০টি ভবনের এমন নান্দনিক নাম দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। প্রথম পর্যায়ে এখানকার ২০টি ভবনে ঠাঁই পাচ্ছে ৬শ পরিবার। পুরো প্রকল্পে মোট ভবন হবে ১শ ৩৯টি। আশ্রয় পাবে সাড়ে ৪ হাজার পরিবার। শুধু উদ্বাস্তু মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই নয়, এই এলাকাটি আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলারও পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে