আগামী সপ্তাহে উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতির আশঙ্কা জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। ঈদের সময়ও থাকতে পারে বন্যা। বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলছে, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি ২৭-২৮ জুলাই সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছাতে পারে। এ সময় উত্তরাঞ্চলে প্রধান নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার প্রায় ২’মিটার ওপর দিয়ে বইতে পারে। আর, বুয়েটের বন্যা ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগ বলছে, বন্যা স্থায়ী হতে পারে আগস্ট মাস জুড়ে।
জুনের শেষ থেকে এখন পর্যন্ত তিন দফা বন্যার কবলে দেশ। আগের বানের পানি সরেনি। এর মধ্যে গত সোমবার থেকে আসছে উজানের ঢল। প্লাবিত করছে ব্রহ্মপুত্র- যমুনা অববাহিকার কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, বগুড়া, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ,মানিকগঞ্জ। একই দিন থেকে আবারও পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিতে বিপৎসীমার ওপরে বইছে সুরমা ও যাদুকাটা নদীর পানি। এক মাসে তৃতীয় দফা অবনতি হয়েছে সুনামগঞ্জ ও সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, জুলাইয়ের শেষে ব্রহ্মপুত্র- যমুনার পানি বিপৎসীমার প্রায় দুই মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
বুয়েটের বন্যা ও পানি ব্যবস্থাপনা গবেষকরা বলছেন, ১৯৮৮ ও ৯৮ সালে একই সময়ে ব্রহ্মপুত্র- যমুনা, মেঘনা ও পদ্মার পানি বেড়ে যাওয়ায় বড় বন্যা হয় দেশে। এবার পদ্মা অববাহিকার গোয়ালন্দ, মাওয়া ও ভাগ্যকুল পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর বইছে পানি। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, ঈশ্বরদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজে বিপৎসীমার নিচে রয়েছে পদ্মা। এ মাসের শেষে ভারী বৃষ্টি ও ঢল না এলে পদ্মা অববাহিকায় বড় বন্যার আশঙ্কা কম।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, গত দুই দিনে সারা দেশে প্রায় তিন হাজার মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি থাকতে পারে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। এই সময়ে পার্বত্য এলাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























