কোরবানি উপলক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে প্রতিবছর ভারতীয় গরু চোরাচালান হলেও এবার তা হয়নি বলে দাবি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবি। কঠোর নজরদারির কারণে কমেছে সীমান্ত হত্যার মতো ঘটনা।

ভারতীয় পশু আসা বন্ধ হওয়ায় খামারিরা আশা করছেন এবার নিজেদের তৈরি করা পশুর ভাল দাম পাবেন তারা। কোরবানির পশুর বাজারকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তঘেঁষা আমবাগানগুলোতে জমে ওঠে গরু চোরাচালান। চোরাই পথে ভারতীয় পশু আসার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতেন স্থানীয় খামারিরা। কিন্তু এবার স্থানীয় হাট-বাজারে এখনো দেখা মেলেনি ভারতীয় পশুর। এতে নিজেদের পালিত পশুর ভাল দামের আশা করছেন খামারিরা।

সীমান্তে চোরাচালানরোধে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে এবার কোন ভারতীয় পশু ঢোকেনি কোরবানির হাটে। এছাড়া, সীমান্তবাসীরাও আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন বলে জানান জনপ্রতিনিধিরা। শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক বলেন, বিজিবির উদ্দেশ্যে আমি বলি আপনারা যদি হান্ড্রেড পার্সেন্ট রাইট পজিশনে থাকেন তবে সীমান্ত ৮০ পার্সেন্ট নিয়ন্ত্রণে থাকবে। একটা মানুষকে ভালো করতে হলে সম্মিলিত চেষ্টা দরকার। বিজিবি তৎপর, গ্রামের মানুষও সহযোগিতা করছে। অন্য বছরগুলোতে চোরাকারবারিরা নানা উপায়ে ভারতীয় পশু নিয়ে আসলেও এবার সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি। এতে চোরাচালানসহ সীমান্ত হত্যার ঘটনাও কমেছে। ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা সীমান্ত এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধি করেছি। সব ধরণের মানুষের সহযোগিতা নিয়ে এটা করেছি।

এছাড়াও সম্ভাব্য যেসব সীমান্ত দিয়ে গরু চোরাচালান হয় এবং যারা করে তাদেরকে চিহ্নিত করে নজরদারি বৃদ্ধি করেছি। সার্বিকভাবে গরু চোরাচালান কমে যাওয়ায় সীমান্ত হত্যাও কমে গেছে। শুধু কোরবানি উপলক্ষ্যে নয়, সারা বছরই সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে