আজ জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস। ‘দুর্যোগের প্রস্তুতি সারাক্ষণ আনবে টেকসই উন্নয়ন’ শ্লোগানে এবার পালিত হচ্ছে দিনটি। ঢাকায় আগুন বা ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন আছে বিশেষজ্ঞদের। তবে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দাবি আধুনিকায়ন করা হচ্ছে উদ্ধার সরঞ্জাম। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে অপসারণের সময় বেঁধে দেয়া হচ্ছে।

জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে এবার গুরুত্ব পাচ্ছে অগ্নিকান্ড ও ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলা ও উদ্ধার তৎপরতা সমন্বয়ের বিষয়টি। এসব দুর্যোগ জনগনকে সচেতন করতে দুর্যোগ ব্যবস্থপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয় আয়োজন করেছে মহড়ার।ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে রাজধানীতে এক হাজার ৮০টি মার্কেট, এক হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং চারশ ২২টি হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে আগ্নকাণ্ড ও ভূমিকম্প ঝুঁকিতে। বড় মাত্রার দুর্যোগে এসব ভবন ধসে যেতে পারে বলে আশঙ্কা ফায়ার সার্ভিসের।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন আগুন ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ থেকে ঢাকাকে বাঁচাতে হলে সবার আগে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পুনর্গঠন বা ভেঙ্গে ফেলতে হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দাবি দুর্যোগ মোকাবিলায় নানামুখী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসকে সরবরাহ করা হয়েছে প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণে যৌথভাবে কাজ করছে সিটি করপোরেশন ও রাজউক।
যে কোনো দুর্যোগে আতংকিত না হয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার নির্দেশনা অনুসরণ করতে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে দুর্যোগ মন্ত্রণালয়।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ














