রাজধানীতে এবারের কোরবানির জন্য দরপত্র আহ্বান করা ২৩’পশুর হাটের মধ্যে ১০টিই করোনা সংক্রমনের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। কয়েকটি আবার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার মধ্যে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নানা পদক্ষেপ নেয়ার পাশাপাশি কাউন্সিলরদের অনেকে হাট বসানোর বিপক্ষে।

আর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় হাট বসানো হবে না। তবে এখনো সিদ্ধান্ত আসেনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে।

রাজধানীর তেঁজগাও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট মাঠে প্রতি বছরের মতো এবারও পশুর হাটের দরপত্র আহ্বান করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। বর্তমানে এখানে করোনা আক্রান্ত ৩৪০ জন। দেড় মাস আগেও যে সংখ্যা ছিল ৯৮ জন। উত্তর সিটির মোহাম্মাদপুর, উত্তরা, মিরপুর, আফতাবনগরে বেশি করোনা রোগী থাকা সত্ত্বেও হাট ইজারার আহ্বান করা হয়েছে।

রাজধানীর আরেক পশুর হাট বসছে দক্ষিণ সিটির শাহজাহানপুর রেলওয়েকলোনি মাঠে। দেড় মাসে এখানে রোগী বেড়েছে ৫০ জন। এছাড়া লালবাগ, হাজারীবাগ, কমলাপুর, যাত্রাবাড়ি, খিঁলগাঁও এ বসছে পশুর হাট। অনেক কাউন্সিলরও মনে করছেন করোনার এই পরিস্থিতিতে পুশুর হাট বসানো যৌক্তিক হবে না। ঢাকা উত্তরে ৯টি হাটের ইজারা দেয়া হচ্ছে। এরমধ্য তেঁজগাঁও, উত্তরা এবং আফতাব নগরে আবাসিক এলাকার হাট বাতিলের কথা বলছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। অন্যদিকে, দক্ষিণে বসছে ১৪টি হাট।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন পশুর হাটের দরপত্র আহ্বান করার পর স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে হাট বসালে করোনার বিস্তার ঘটার আশঙ্কা আছে। তারা অনলাইন বা বিকল্প মাধ্যমে পশু কেনাকাটার বিষয়ে জোর দেন। তাই অনলাইনের বিকল্প ভাবছেন উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে