স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের পরও যাত্রী সংকটে রেল। করোনার কারণে ৫০ শতাংশ টিকিট কম বিক্রির পরও মিলছে না যাত্রী। ১৯ জোড়া ট্রেন চালুর পর বন্ধ হয়ে গেছে দুই জোড়া। রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, করোনা সতর্কতা এবং অলনাইনে টিকিট বিক্রির কারণে কমেছে যাত্রী। কমলাপুর রেলস্টেশনে যেখানে সারা বছরই ভিড় লেগে থাকে সেখানে এখন হাতেগোনা কয়েকজন যাত্রী।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেসের বেশির ভাগ বগিই প্রায় ফাঁকা। ট্রেনটিতে ৮৯৯ সিটের মধ্যে যাত্রী মাত্র ২৫৪ জন। যদিও রেল কর্তৃপক্ষের টিকিট বিক্রির লক্ষ্য ছিল ৪৫৪টি।করোনা পরিস্থিতিতে দুই মাস বন্ধ থাকার পর ট্রেন চলাচল শুরু হয় গেলো ৩১ মে। সারা দেশে ১৯ জোড়া ট্রেন চালু হলেও যাত্রী না পাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের সোনার বাংলা ও নোয়াখালী রুটের উপকূল এক্সপ্রেস।

রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে ট্রেন চলাচল করলেও তেমন যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। স্টেশনের এমন চিত্র দেখে অবাক হচ্ছেন যাত্রীরাও। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপে সন্তুষ্ট তারা। করোনা পরিস্থিতিতে তাই বাস ও লঞ্চের চেয়ে ট্রেনে যাত্রা বেশি নিরাপদ মনে করছেন যাত্রীরা।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ





























