নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) প্রভাব দীর্ঘায়িত হলে অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় প্রয়োজনে বাজেটের সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।অনলাইনে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) বাজেট সংলাপে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠিত আলোচনায় প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয়ের ক্ষেত্রেও অগ্রাধিকার নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে সিপিডি।

করোনার দুর্যোগের মধ্যেই অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশায় গেলো ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। শনিবার সিপিডির সংলাপে দাবি করা হয়, এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয় এবং পোশাক খাতে বর্ধিত রপ্তানিমূল্যের উৎসে কর কমানো জরুরি।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে ৬ মাস পর পর দুটি বাজেট দেয়া উচিত ছিল।

এদিকে মেট্রোপলিটন চেম্বারের সভাপতি নিহাদ কবীর বলেন, অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুবিধা দিয়ে সৎ ও নিয়মিত কর প্রদানকারী ব্যবসায়ীদের নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। আর এমন আলোচনায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানান, প্রস্তাবিত বাজেট এখনো চূড়ান্ত হয়নি তাই প্রতিদিনই পর্যালোচনা হচ্ছে। করোনা আরো ভয়াবহ হলে প্রয়োজনে সংশোধন করা হবে। তাই এমন পরিস্থিতিতে বাজেট বাস্তবায়ন করাই এখন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে