নিহত পরিবারের দাবি শশুর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিত ভাবে ইয়াসমিনকে হত্যা করে ঘরের ডাবে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। ৩বছর আগে আব্দালপুর পুলিশ ক্যাম্প পাড়া জামিরুলের পুলিশ ছেলে মুস্তাফিজ পুলিশের সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় ইয়াসমিনের । বিয়ের পরে গহনা বাবদ ২ লক্ষ টাকা নেন ছেলের পরিবার। পুলিশ কনস্টেবল মুস্তাফিজ বর্তমানে মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার একটি ক্যাম্পে চাকরি করছেন বলে জানা গেছে।যৌতুক লোভি স্বামী পুলিশ কনেষ্টবল মোস্তাফিজুর রহমান যৌতুকের টাকা, মটর সাইকেল এর জন্যই এই হত্যা পড়েছে বলে বলে নিহত পরিবারের অভিযোগ।যৌতুক নিয়ে সংসারে প্রায় সময় ঝগড়া ঝামেলা লেগেই থাকতো। এর আগে মোটরসাইকেলের দাবিতে ইয়াসমিনকে শারীরিক র্নিযাতন করে মেহেরপুর বাসা থেকে শশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেয় ওই পুলিশ কনেষ্টবল।
ইয়াসমিন একই থানার মাফপুর গ্রামের আবুল হোসেনের তৃতীয় কন্যা। পরিবারের দাবি তার মেয়েকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। তারা আরো জানায় কনস্টেবল মুস্তাফিজুর এর ছোট ভাইও ইয়াসমিন এর উপর নির্যাতন করত মোটরসাইকেলের জন্য। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে মেয়ের শ্বশুর বাড়ির লোকজন। তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি নিহতের পরিবার।
কে এম শাহীন রেজা
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























