ছবিঃ বাংলা ট্রিবিউন থেকে
আসছে বাজেটে ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা বাড়ছে। ৫০’হাজার টাকা বাড়িয়ে করা হচ্ছে তিন লাখ টাকা। করোনার ধাক্কা সামলাতে কমতে পারে করপোরেট করও। তারপরও চলতি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ৩০’হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হচ্ছে। যা অর্জন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

১০’বছর ধরে ছয় শতাংশের বেশি হারে বড় হচ্ছিল বাংলাদেশের অর্থনীতি। কিন্তু করোনার কারণে সব এলোমেলো। আমদানি, রপ্তানি, রেমিট্যান্স কিংবা অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন সবকিছুতেই হতাশা। ফলে প্রতিষ্ঠানের যেমন আয় কমেছে, তেমনি কমেছে ব্যক্তিরও। এ অবস্থায় আসছে বাজেটে আয়করে ছাড় দিতে যাচ্ছে সরকার।

পাঁচ বছর পর আবারো ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা বাড়াচ্ছে সরকার। কমতে পারে ব্যক্তির আয়করের হারও। তবে ঠিক থাকছে ন্যূনতম করের পরিমাণ। এছাড়া ব্যবসা বাণিজ্যের গতি ফেরাতে আড়াই শতাংশ কমানো হতে পারে করপোরেট কর। তবে বাড়তে পারে তৈরি পোশাক শিল্পের উৎসে কর।

ব্যবসা বাণিজ্যের গতি ফেরাতে কাঁচামাল আমদানিতে অগ্রিম আয়কর কমতে পারে দুই শতাংশ। ছোট ব্যবসায়ীদের সুবিধায় টার্নওভার সীমা ও করহার দুটোতেই পরিবর্তন আসতে পারে। তবে সিগারেট ও মোবাইলে কথা বলার ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়তে পারে। প্রায় সোয়া তিন লাখ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রায় বরাবরের মতোই প্রধান খাত ভ্যাট। যা থেকে আদায়ের লক্ষ্য এক লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা। আয়কর এক লাখ পাঁচ হাজার কোটি ও আমদানি শুল্ক থেকে বাকি ৯৬ হাজার কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য থাকছে এনবিআরের ঘাড়ে।

অর্থ মন্ত্রণালয় মনে করছে, এসব পদক্ষেপ ব্যবসা বাণিজ্যের গতি ফেরাতে যেমন ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে তেমনি দেশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতেও কাজে আসবে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে