নভেল করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাবে দেশে গত দুই মাসে শূন্যে নেমেছে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি বিক্রি। শোরুমগুলোতে থাকা ৪ হাজার গাড়ির একটিও বিক্রি হয়নি এ সময়ে। তাই সংকটে পড়া এ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুযোগ ও সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রণোদনা না পেলে এ ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই কঠিন হবে। তবে গাড়ি বিক্রির পরিমাণ বাড়াতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকে জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।
করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে দুই মাস আগে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এতে অন্য সব প্রতিষ্ঠানের মতো বন্ধ হয়ে যায় গাড়ির শোরুমও। দেশে নতুন গাড়ির তুলনায় চাহিদা বেশি রিকন্ডিশন্ড গাড়ির। সারা দেশের ৪শ শোরুমে গত দুই মাস ধরে পড়ে আছে ৪ হাজার গাড়ি। তবে এ সময়ে বিক্রি হয়নি একটি গাড়িও। অথচ গেল বছর এপ্রিল ও মে মাসে প্রায় ৩ হাজার গাড়ি বিক্রি করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে অঘোষিত লকডাউনের কারণে বন্দরে আটকে থাকা গাড়ির জন্য গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকাও।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবছরই কমছে গাড়ি বিক্রির হার। সংকীর্ণ সড়কের পাশাপাশি পার্কিং অসুবিধাসহ বেশ কিছু অবকাঠামোগত সমস্যায় গাড়ি কেনার আগ্রহ হারাচ্ছেন ক্রেতারা। এসব দিকে সরকারকে নজর দিতে হবে বলেও মনে করেন তারা।
চট্টগ্রাম বন্দরে এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৪৩৯টি গাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে নিলামের গাড়ি রয়েছে ৩৮৩টি। মূলত ৩০ দিন কেউ গাড়ি খালাস না করলেই সেটি নিলামে চলে যায়। এদিকে ১০ বছর আগে আনা গাড়িও রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে। শুল্ক নিয়ে নানা জটিলতার কারণেই ব্যবসায়ীরা গাড়িগুলো খালাস করছেন না বলেও জানায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বছরে সরকারের ৪ থেকে ৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আসে এ খাত থেকে। চলতি বছরের দুই মাসে সরকার এ খাত থেকে এক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ





























