স্বাস্থ্যবিধি না মানায় রাজধানীর অনেক নতুন নতুন এলাকা এখন করোনার হটস্পট। আর সুরক্ষার নিয়ম-নীতি কঠোরভাবে মেনে চলায় আগের অনেক সংক্রমিত এলাকা এখন করোনামুক্ত। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লকডাউন শিথিল করায় রাজধানীতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা আরো বাড়বে। তাই এসময়ে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের।
রাজধানীর মহাখালী। শুরুতে করোনা সংক্রমণে হার কম থাকলেও দিন যত গরিয়েছে সংক্রমণও তত বেড়েছে। এখন রাজধানীর সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী মহাখালীতে ৩৭৪ জন। করোনার অতি ঝাঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর মধ্যে মিরপুর, যাত্রাবাড়ি, কাকরাইল, মোহাম্মাদপুর, ধানমণ্ডিসহ রাজধানীর অন্তত ১৫টি এলাকা চিহ্নিত। ওইসব এলাকায় খুব বেশি গুরুত্ব পায়নি লকডাউন।
আর্থ-সামাজিক বিবেচনায় ব্যবসা-বাণিজ্য, সরকারি-বেসরকারি অফিস ও গণপরিবহন খুলে দেয়ায় করোনার সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। তাদের মতে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে সামনের দিনগুলিতে করোনা পরিস্থিতির আরো অবনতি হবে। ১৫’ই জুন পর্যন্ত রাজধানীতে স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে সচেতন থাকছে সিটি করপোরেশন। জনসচেতনতা বাড়াতে নেয়া হচ্ছে নানা পদক্ষেপ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, করোনার শুরুতে রাজধানীর টোলারবাগ ও বাসাবো ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ। শুধু স্বাস্থ্যবিধি মানায় সেখানে সংক্রমণ কমেছে। তাই লকডাউন শিথিল হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। দেশের মোট করোনা রোগীর ৫৪ শতাংশই রাজধানীতে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ





























