সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে বসুন্ধরা কনভেশন সিটিতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কোভিড হাসপাতাল। গত ১৭’ই মে উদ্বোধন হলেও, পর্যাপ্ত চিকিৎসক-নার্স ও সাপোর্ট স্টাফ না থাকায় কার্যক্রম শুরু হতে দেরি। চিকিৎসা শুরু হওয়ার পর চাহিদা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে লোকবল। এদিকে, করোনা রোগীদের সেবাদানকারী বেসরকারি হাসপাতালগুলোও ভুগছে আইসিইউ ও লোকবল সংকটে।

১২’ই এপ্রিল শুরু করে তিন সপ্তাহের মধ্যেই নির্মাণকাজ শেষ হয় বসুন্ধরা গ্রুপের অস্থায়ী কোভিড হাসপাতালের। ২ হাজার ১৩টি সাধারণ বেড ও ৭১ বেডের আইসিইউএর এই হাসপাতালটি ১৭মে উদ্বোধন হয়। এরপর দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও, শুরু হয়নি পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম।

আপতত করোনায় আক্রান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২৪৫ সদস্যকে সেবা দেয়া হচ্ছে এখানে। দুই হাজার চিকিৎসক-কর্মচারীর চাহিদা থাকলেও এখন পর্যন্ত চিকিৎসক আছেন ১৯১ জন, নার্স মাত্র ৬০ জন। যা দিয়ে দৈনিক আট ঘণ্টার রোস্টার ডিউটি অনুযায়ী সেবা দেয়া সম্ভব নয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী রোববার কার্যক্রম শুরুর পর প্রয়োজন অনুযায়ী হাসপাতালটিতে লোকবল সরবরাহ করা হবে। অবশ্য গত ১৭’ই মে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রথমে ৫০০ রোগীর চিকিৎসার জন্য জনবল নিয়োগ করা হয়েছে। রোগীর ওপর ভিত্তি করে পরে আরো ৫০০ রোগীর জন্য জনবল নিয়োগ করা হবে। এভাবে ধাপে ধাপে বাকি শয্যাগুলোর জন্য জনবল নিয়োগ করা হবে।

করোনার চিকিৎসা দেয়া বেসরকারি প্রায় সব হাসপাতাল ভুগছে আইসিইউ সংকটে। এদিকে গত ১৮মে করোনা রোগীদের সেবাদান কার্যক্রম শুরু করলেও লোকবল সংকটে ভুগছে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতাল। দেশের সব হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা শুরু হলে সংকট অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে