বঙ্গোপসাগর সৃষ্ট নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আজ শনিবার(১৬’ই মে) রাতেই গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম হবে ‘আমফান’। ঝড়টি কোন উপকূলে আছড়ে পড়বে তা নিশ্চিত করে এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে এগুবে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদফতর। যার প্রভাব বাংলাদেশ ও ভারতের উপরে পড়বে। ঘূর্ণিঝড়ে দুই দেশেই ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মূলত এপ্রিলের শেষ থেকে সাগরে বাসা বাঁধার চেষ্টা চালাচ্ছিল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। অবশেষে শক্তি বেড়ে ‘আস্ফান’ এখন সাগরে ফুঁসছে। আগামী সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান হানা দিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি সাধারণত ভারতের উত্তরাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হবে এবং মিডওয়াইক দ্বারা উত্তর-পূর্ব ভারত এবং বাংলাদেশের অঞ্চলগুলোতে অনুভূত হবে।

আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় বলা হয়, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি আজ শনিবার দুপুরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়। এখন নিম্নচাপটি আরও সামান্য পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান খান জানান, এটি আজ সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১ হাজার ২৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ৫০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

সিএনএন আবহাওয়াবিদ জেনিফার গ্রে বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের শক্তি বাড়ছে। এটি আগামী সপ্তাহে ভারত বা বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার আগে একটি শক্তিশালী ঝড় হতে পারে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে