গত মঙ্গলবার (৫মে) কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেলিনা খাতুন এ আদেশ দেন। ফৌজদারি এ অপরাধের বিষয়টি তদন্ত করে আগামী ২৩ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।জানা যায়, পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে বরাদ্দকৃত ১ হাজার ৩৫০ ত্রাণের প্যাকেট কুমারখালীর মেয়রের নিকট থেকে কাউন্সিলরগণ গ্রহণ করেন এবং পরে তা তালিকাভুক্তদের মধ্যে বিতরণ না করায় মেয়রসহ অভিযুক্ত কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে সাধারন মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় । এ বিষয়ে কুমারখালী পৌরসভার মেয়র সামসুজ্জামান অরুণ জানান, ত্রাণ বিতরণে কোনো অনিয়ম করা হয়নি। তবে বিষয়টি যেহেতু আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে তাই এটি আদালতেই নিষ্পত্তি হবে।
কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জ বলেন, ত্রান অনিয়মের বিষয়ে আদালতে মামলা হয়েছে। তাই বিচারাধীন বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও ত্রান কমিটির সভাপতি মোঃ আসলাম হোসেন বলেন, ত্রাণের অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
কে এম শাহীন রেজা
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























