ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুরঃ ফরিদগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তাকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। ওই পোস্টে থানার অফিসার ইনচার্জের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে, কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পোস্টটি ভাইরাল হয়ে গেছে। কোনো যাচাই বাছাই ছাড়াই চলছে নানান কমেন্ট। খবরের সত্যতা জানার জন্য বুধবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত এলাকায় দিনব্যাপী ঘুরেও অভিযোগের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এক পর্যায়ে এলাকাবাসী অভিযোগটিকে স্রেফ গুজব ও অপরাধ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
করোনা মহামারি মোকাবেলার মধ্যে পুলিশের মনোবল ভেঙ্গে দেয়ার ষড়যন্ত্র কী না- এমন প্রশ্নও উঠেছে। ফেসবুকের ওই পোস্টে অভিযোগ করা হয়েছে ত্রাণ দেয়ার নামে থানার অফিসার ইনচার্জ এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক আচরণ করেছেন। বলা হয়েছে ওই নারীর বাড়ি
উপজেলার ৮নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে। পোস্টে নারীর নাম সালমা (১৯)
ও তার বাবার নাম রফিকুল ইসলাম (৫৬) এবং বাবা পেশায় একজন চা দোকানী উল্লেখ
করা হয়েছে।

কিন্তু, বুধবার দুপুর সাড়ে ১১ টা থেকে বিকাল প্রায় ৪টা পর্যন্ত ফেসবুকে উল্লেখিত ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের উল্লেখিত নামের কোনো চা দোকানী, এমনকি সালমা (১৯). পিতা: রফিকুল ইসলাম নামের কারও সন্ধান পাওয়া যায়নি। কথা হয় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার, চৌকিদার, এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে। তারা এমন নাম ঠিকানার কাউকে চেনেন না বা এমন অভিযোগ কখনও শুনেননি বলে জানিয়েছেন।
তাহলে, এই অভিযোগের ভিত্তি কি। এমন প্রশ্নে নানান মন্তব্য পাওয়া গেছে। কেউ বলেছেন, করোনা মহামারিতে জীবন বাজি রেখে কাজ করা ফরিদগঞ্জ পুলিশ বাহিনীকে মানসিকভাবে দুর্বল করার জন্য এমন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ ও চক্রান্ত করা হয়েছে। এছাড়া, এলাকার উদোরপিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর মন্তব্যও শোনা গেছে। অন্যদিকে, চক্রান্তকারীরা বর্তমানে সহজ পথ- ‘ফেসবুক’কে বেছে নিয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট আসছে। সে পর্যন্ত চোখ রাখুন- বিডি টাইমস নিউজে।
আবু হেনা মোস্তফা কামাল, ফরিদগঞ্জ
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























