ঘনবসতি ও প্রবাসীদের যাতায়াতের কেন্দ্র হওয়ায় রাজধানীতে করোনার সংক্রমণ বেশি হয়েছে। সেইসঙ্গে সামাজিক দূরত্ব না মানা ও কঠোরভাবে লকডাউন নিশ্চিত না হওয়াও বড় কারণ। তবে নতুন করে সন্ধ্যা ছয়টার পর বাইরে বের না হওয়ার যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তা কার্যকর হলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক ও গবেষকেরা।
নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) প্রকোপে বদলে গেছে রাজধানীর চিরচেনা রূপ। দেশে গত ৮ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত ৪’শতাধিক মানুষের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর আক্রান্তদের অর্ধেকের বেশিই ঢাকায়। দ্বিতীয় অবস্থানে নারায়ণগঞ্জ। চিকিৎসকরা বলছেন, পাশাপাশি এ দুই জেলাই ঘণবসতি পূর্ণ এলাকা। ব্যবসায়িক ও প্রশাসনিক কাজে যাতায়াতও বেশি। আবার বিদেশ থেকে আসা প্রবাসীদের অনেকেই নিজজেলায় ফিরেছেন ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে রুট হয়ে।
ওদিকে রোগতত্ত্বের গবেষকরা বলছেন, সংক্রমণ বেশির কারণ সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের নির্দেশনা মানতে নগরবাসীর উদাসীনতা। তাই সংস্থাটি পরামর্শও দেন, অপ্রয়োজনে ঘরের বাহিরে বের হওয়া ঠেকাতে কঠোর হওয়ার। রাজধানীর পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশেই বাড়ছে নভেল করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ





























