কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ (নোভেল-১৯) করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সারা বিশ্বে চলছে দুঃসময়। দিন যত যাচ্ছে ততই করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। দেশ লকডাউন হওয়ায় সাধারন জনগন না খেয়ে দিন পার করছে। এই বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ বাহিনী, র্যাব, বিডিআর ও সেনা বাহিনী করোনা ভাইরাস রুখতে যখন তারা মাঠে ঠিক তখনই কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে পুলিশ ফাড়ি নিরব দর্শকের ভূমিকায় হাত গুটিয়ে বসে আছেন।এই মহামারী দূর্যোগের মুহুর্তে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নাল অফিস জনসচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরন করে চলেছেন, অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া লোকজনদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাইকিং করছে প্রতিনিয়ত। তার পাশাপাশি মহাসড়কে যাত্রীবাহী যানচলাচল বন্ধসহ পণ্যবাহী যানচলাচল স্বাভাবিক এবং পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহনে কঠোর অবস্থান গ্রহন করে যাচ্ছেন।


এদিকে মাদারীপুর রিজিওনাল অফিসের অধীনে কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জুলহাসসহ অন্যান্য সদস্যদের বেশ কিছুদিন ধরে রাস্তায় দেখা যাচ্ছেনা। জনগনের জনসচেতনতা সৃষ্টি করা তো দুরের কথা তারা অফিসে ঘুপটি মেরে বসে থেকে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে গাড়ী ধরে যাচ্ছেন। বর্তমান করোনার ভয়াল থাবায় সাধারন যান চালকরা পেটের ক্ষুধা সহ্য না করতে পেরে বাধ্য হয়ে অল্প কিছু থ্্ির হুইলার, নছিমন করিমন, অটো, পাখি ভ্যান মহাসড়কে তুললেই তারা ধরে-ধরে গোডাউনে ঢুকাচ্ছেন পরবর্তীতে অর্থের বিনিময়ে এক দুই দিন পর গাড়ী ছেড়ে দিচ্ছে। সদ্য যোগদানকৃত জুলহাসের বিরুদ্ধে একাধিক দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ইতিমধ্যে।
বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে কুষ্টিয়া চৌড়হাস পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কাজটি ঠিক করছেন না বলে মন্তব্য করেন সকল খেটে খাওয়া একাধিক যান চালকরা, তারা বলেন এই দু:সময়ে পরিবারকে বাঁচাতে মাঝে মধ্যে দু এক বেলা গাড়ী বের করি শুধু পরিবারের আহার যোগাতে গিয়ে ফাঁড়ির ইনচাজ জুলহাসের ফাদে পড়ে অর্থ দন্ড দিয়ে গাড়ী বের করে আনা লাগে।
বগুড়া রিজিওনাল অফিসের হাটিকুমরুল হাইওয়ে পুলিশের ওসি খাইরুল ইসলামের নেতৃত্বে থানার সার্জেন্ট, এসআই ও কনস্টেবলদের সমন্বয়ে গড়া পুলিশের টিম হাইওয়ে মহাসড়কে তাদের নিয়মিত টহল জোরদার করেছেন। যান চলাচল নিয়ন্ত্রন, অপ্রয়োজনে ঘর হতে বের হওয়া মানুষদের ঘরে ফেরানো, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, মুখে মাস্ক, হাতে হ্যান্ড গ্লোভস্ ব্যবহার করা সহ জনসচেতনতায় তারা মাইকিং করে যাচ্ছেন। উত্তর বঙ্গের প্রবেশদ্বার হাটিকুমরুল রোড একটি গুরুত্বপুর্ণ স্থান। শুধু তাই নয়, ওখান দিয়ে রাজশাহী, চাপাই সহ দক্ষিনাঞ্চলের পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোরের লোকজনের ঢাকা হতে যাতায়াতের একমাত্র পথ।
অন্যদিকে টেকনাফে হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশের উদ্যোগে যানবাহনে যাত্রী পরিবহনে সচেতনতা উপলক্ষে বিশেষ প্রচারণা চালানো হয়েছে। জানা যায়, আজ ৭এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কে চলাচলকারী গণপরিবহন, অটো, সিএনজি, এনজিওর মাইক্রোবাস যোগে যাত্রী পরিবহন প্রতিরোধে মাইকিং এবং বিশেষ প্রচারণা চালানো হয়।এ বিষয়ে চৌড়হাস পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জুলহাসের ব্যক্তিগত মোবাইলে ফোন দিয়ে উপরোক্ত সকল বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, তিনি বলেন, উপর থেকে আমাদেরকে শুধু থ্রি হুইলার গাড়ীর পথ রোধ করা, ওভারলোডিং করে কোন পন্যবাহী ট্রাক চলছে কিনা এ বিষয়ে আমাদেরকে উপর থেকে নির্দেশনা প্রদান করেছে।
জনসচেতনতা সৃষ্টি, ও মাইকিং করে সকলকে অবগত করার বিষয়ে জানতে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন এ সকল বিষয়ে আমাদের দপ্তর থেকে কোন নির্দেশনা প্রদান করেন নাই। তবে অন্যান্য রিজিওনাল অফিসের অধীনে বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়ির কর্মকর্তারা করোনা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাইকিংসহ বিভিন্ন ধরনের প্রচার লিফলেট বিতরন করার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে উক্ত ইনচার্জ জুলহাস এ প্রশ্নের সদোত্তর দিতে পারে নাই।মাদারীপুর রিজিওয়াল অফিসের পুলিশ সুপারের ব্যবহ্রত ০১৭৬৯-৬৯০৪৫১ নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি তা রিসিভ করেন নাই।
কে এম শাহীন রেজা
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























