চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ ৫ টাকার ইনজেকশন ৫০ টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে সদর হাসপাতাল এলাকার আমিন ফার্মেসীর বিরুদ্ধে। ভুল শিকার করে রোগীর স্বজনদের অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করে ঘটনাটির ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন আমিন ফার্মেসীর মালিক ডা. জেড. এম রওশন আমিন রতন।
রোববার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে প্রতারিত রোগীর স্বজনরা আমিন ফার্মেসির প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ফার্মেসীতে গিয়ে হট্টোগোল করলে ইনজেকশনের দাম বেশি নেওয়ার বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয়দের।
প্রতারিত রোগীর স্বজনেরা জানান, চুয়াডাঙ্গা পৌর সভার ইলেকট্রিশিয়ান ফার্ম পাড়ার শান্ত রোববার সন্ধ্যার পর হঠাৎ মাথাঘুরে পড়ে গেলে স্থানীয়রা তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে সদর হাসপাতালের সামনে আমিন ফার্মেসীতে ঔষধ কিনতে যান রোগীর এক স্বজন। ওই সময় আমিন ফার্মেসী থেকে ইজিয়াম ইনজেকশ ৫০ টাকায় কেনেন তারা। পরে খোজ নিয়ে রোগীর স্বজনরা জানতে পারে ৫ টাকার ইনজেকশন তাদের কাছে ৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
প্রতারিত হওয়ার বিষয়ে বুঝতে পেরে রোগীর স্বজনরা আমিন ফার্মেসিতে ইনজেকশনের দাম বেশি নেওয়ার কারণ জানতে গেলে ফার্মেসী মালিক ডা. জেড.এম রওশন আমিন রতন বলেন, ইজিয়াম ইনজেকশন বাজার সরবরাহ নেই। বাইরে থেকে বেশি দামে কিনতে হয়েছে তাদের। এক পর্যায়ে ক্রেতাসহ উপস্থিত লোকজনের কাছে কর্মচারী বেশি দামে ইনজেকশন বিক্রি করে ভুল হয়েছে শিকার করে ক্রেতার অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিতে চান ফার্মেসী কর্তৃপক্ষ।
তবে প্রতারিত রোগীর স্বজনরা টাকা ফেরত না নিয়ে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান। একইসাথে জেলার প্রশাসনের কাছে এসকল প্রতারক ঔষধ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী তোলেন।
ফার্মেসী মালিক ডা. জেড এম রওশন আমিন রতনের কাছে ইনজেকশনের দাম বেশি নেওয়ার কারন জানতে চাইলে বলেন, দোকানের কর্মচারী আসাদ ঔষধের দাম বেশি নিয়েছে সে আধা পাগল, একটু হালকা বুদ্ধির। এ সময় কয়েকজনের পরিচয় ব্যবহার করে ভুল হয়েছে শিকার করে এ ধরণের ভুল পরবর্তীতে আর হবে না বলেও জানান তিনি।
সোহেল রানা ডালিম
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ

























