কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়া চৌঁড়হাস কলোনীর দোকান মালিক ডাঃ আব্দুর রশিদের জাহানারা ফার্মেসীতে হামলা, ঔষধপত্র ভাংচুর ও অর্থ লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সকাল সাড়ে নয়টার সময় চৌড়হাস কলোনীর ঠান্টু ও তার মাদকাসক্ত ছেলে রাব্বী দু’জনে দোকানের ভিতর ঢুকে ঔষধপত্র ফেলে দিয়ে পদদলিত করে বিনষ্ট করতে থাকলে ঐ সময় দোকান মালিক আব্দুর রশিদ বাঁধা দিতে গেলে তাকে শারিরিক ভাবে প্রহার করে। এবং ক্যাশে থাকা ৬৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

সরেজমিনে বিষয়টি জানতে গেলে জাহানারা ফার্মেসীর মালিক আব্দুর রশিদ বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার সময় উক্ত কলোনীর ঠান্টু দোকানে এসে বলেন আমার স্ত্রী ভীষন অসুস্থ ঔষধ দেন। আমি ২টা ট্যাবলেট দিলে উক্ত ট্যাবলেট নিয়ে চলে যাওয়ার ৫ মিনিট পরেই ঠান্টুর মাদকাসক্ত ছেলে রাব্বী এসে আমার উপর চড়াও হয়ে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ দিয়ে বলতে থাকে তুই এখনো আমার বাড়ীতে যাস নাই কেন ? সেই সাথে র‌্যাকের উপর রাখা ঔষধপত্র নিচে ফেলে দিয়ে পদদলিত করতে থাকা অবস্থায় রাব্বীর পিতা ঠান্টুও চলে আসে। তখন দুই বাপ বেটা মিলে আমার দোকানে রাখা ঔষধ বিনষ্ট করে যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লক্ষাধিক টাকা হবে।
তিনি আরও বলেন, আমি ফার্মেসীতে ফ্লেক্সি লোডসহ কারেট বিল গ্রহন করি তারই সুবাদে আমার ক্যাশ ড্রয়ারে সকল সময় নগদ প্রচুর অর্থ থাকে, উক্ত সময় দুই বাপ বেটা আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে ক্যাশ ড্রয়ার থেকে নগদ ৬৭ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঐ সময় এলাকাবাসী বিষয়টি সরেজমিনে দেখেন এবং প্রতিবেদককে বিষয়টির সত্যতা খুলে বলেন যে, ডাঃ সাহেব যা বলেছেন তা সবগুলোই সত্য আমরা ঠান্টু ও তার মাদকাসক্ত ছেলে রাব্বীর সকল কার্যক্রম দেখেছি। এবিষয়ে তাৎক্ষনিকভাবে কুষ্টিয়া মডেল থানায় আব্দুর রশিদ বাদী হয়ে ঠান্টু ও তার ছেলে বাপ্পীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তরিকুল ঘটনাস্থলে আসে।

এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তরিকুলের সাথে কথা হলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনাটি সত্য তবে অর্থের বিষয়টির ব্যাপারে আমার কাছে একটু ধোয়াশা লাগছে, তবে এলাকাবাসী সবাই সত্য ঘটনাটি খুলে বলেন আমার কাছে। আমি আশা করছি ঠঅন্টু ও তার ছেলে বাপ্পীর সুষ্ট বিচার হবে আশা করার যাচ্ছে।

কে এম শাহীন রেজা
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে