কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়া মিরপুর উপজলার ছাতিয়ান ইউনিয়নে গোলাবাড়িয়া বাজারে গড়ে উঠা সাগরখালী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ নামে একটি ভূয়া এনজিও প্রতিষ্ঠান। মাত্র ৪ জন কর্মী নিয়ে প্রায় ৪ শত’র অধিক গ্রাহক প্রতারণার ফাঁদ পেতে বসেছে এই এনজিও সংস্থাটি। সুত্রে জানা যায়, বেশ কয়েক বছর আগের থেকে গ্রাম বাংলার মানুষের আস্থা হরণ করে সুদের ব্যবসা শুরু করেছিল এনজিও প্রতিষ্ঠানটি। পরবর্তীতে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার ব্যবহার করে মানুষের বিভিন্ন প্রকার নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র শতকরা ১৫-২০ টাকা হারে বিতরণ করে। দিন, সপ্তাহ, মাসিক চুক্তিতে শোধ দেওয়ার অঙ্গীকারবদ্ধ ভাবে চড়া সুদে ব্যবসা করছে এই প্রতিষ্ঠানটি। সময় মত সুদসহ আসল টাকা ফেরত দিতে না পারলে গ্রাহকদের বাড়ি থেকে সুদের উপর নেওয়া জিনিস পত্র গুলো জোরপূর্বক নিয়ে আসেন তারা।

সাগরখালী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ নামে এই ভূয়া এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক শরিফুল ইসলাম তিনি সদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ৬ নং ওয়ার্ডের সাধারন সম্পাদক পদ নিয়ে তার দলীয় প্রভাব খাটিয়ে হরণ করে নিচ্ছে গ্রামের দরিদ্র পরিবারের মানুষের স্বপ্ন। তিনি বিগত দিনে বিএনপির একজন শক্ত কর্মী ছিলেন। কিন্তু এমন অবৈধ প্রতিষ্ঠানের অবৈধ কার্যক্রমকে বৈধ করতে সুবিধাবাদী হয়ে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। কিছুটা সময় নিয়ে যখন গ্রাম বাংলার মানুষ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য দ্রব্য সুদের উপর নেয়, তা যেন গলার কাঁটা হিসেবে দাড়ায় গ্রামের ভুক্তভগি গ্রাহকদের। শুধু তাই নয় এই সাগরখালী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ নামে এই ভূয়া এনজিও’র নামে প্যাকেট বানিয়ে তার উপর রেজিষ্ট্রেশন নং- কুষ-১৫, সংশোধীত ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন নং- ০১ ব্যবহার করে বাজারজাত করে আসছে মশার কয়েল। যার কোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম বা লেবেল নেই। এই নামে কোন কারখানা বা কোম্পানির হদিস পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনে গিয়ে এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক শরিফুল ইসলাম সাথে কথা বললে তিনি জানান যে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) স্যার তাদের এই কার্যক্রম সম্পর্কে জানেন। তিনি আরো বলেন, স্যার এই এনজিওতে এসে এই সমস্থ কার্যক্রম চালাতে অনুমতি দিয়েছেন। আগামী পর্বে এই ভূয়া এনজিও’র অন্তরালে নারীসহ অবৈধ ভাবে সম্পদ অর্জনের সঠিক তথ্য তুলে ধরা হবে।

কে এম শাহীন রেজা
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে