হাইকোর্টের নির্দেশের পরও পরিবেশ ছাড়পত্র নেয়নি রাজধানীর দেড় হাজারের বেশি হাসপাতাল ও ক্লিনিক। এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোন নজরও নেই। অথচ দিনের পর দিন ক্ষতিকর মেডিকেল বর্জ্য পরিশোধন ছাড়াই ফেলছে হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো। যা মারাত্মক দূষিত করছে পরিবেশকে।

বুড়িগঙ্গা তীরে ঘনবসতিপূর্ণ মিটফোর্ড এলাকায় অসংখ্য হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে। যেখানে প্রতিদিন চিকিৎসা নিচ্ছেন লাখো মানুষ। এসব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করা হচ্ছে রোগীর রক্ত, মল-মূত্র ও কফ। যা থেকে তৈরি হচ্ছে ক্ষতিকর বর্জ্য। এছাড়া রোগীর কেটে ফেলা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও যাচ্ছে ভাগাড়ে।যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার দোষ স্বীকার করছেন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। তবে অনেকটাই নিরুপায় বলে অজুহাত দাঁড় করিয়েছেন তারা। এর মধ্যেই চাপ আসলে পরিবেশ ছাড়পত্র নিয়ে নিতে চান তারা।সিটি করপোরেশনের তথ্য, প্রতিদিন প্রায় পঞ্চাশ টন বর্জ্য আসে হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে, যার মাত্র আট শতাংশ যথাযথভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। বাকিটা প্রাণ ও প্রকৃতির জন্য ভয়ানক। অথচ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা না কি কোন সমস্যাই খুঁজে পাননি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালক ডা: আমিনুল হাসান বলেন, আমরা যখন হাসপাতালে যাই, তখন সব কিছু ঠিকভাবেই দেখতে পাই। কোন ধরণের সমস্যা নাই সেখানে।তবে পরিবেশ অধিদপ্তর জানালো, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়নে শুরু হবে অভিযান।আইন অনুযায়ী, সব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে বর্জ্য পরিশোধনাগার থাকতেই হবে। অন্যথায় মালিকের জেল-জরিমানা হতে পারে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














