আর্থিক ও প্রশাসনিকভাবে ধুঁকে ধুঁকে চলছে এক সময়ের খ্যাতি পাওয়া সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল। রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এই হাসপাতালের আয়ের থেকে পরিচালনা ব্যয় বেশি। রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ হওয়ায় অপ্রয়োজনীয় জনবল বেশি। ফলে এরইমধ্যে কর্মীদের কয়েকমাসের বেতন বকেয়া পড়েছে। হাসপাতালের সেবার মান ও অতিরিক্ত খরচ নিয়েও আছে রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ।
রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি পরিচালিত ঢাকার হলি-ফ্যামিলি হাসপাতালের ৫২৮ শয্যার অধিকাংশই ফাঁকা পড়ে থাকে। গড়ে প্রতিদিন রোগী থাকে ৩০০ এর কাছাকাছি। মানবসেবার ব্রত নিয়ে ১৯৫৩ সালে সিস্টারস অব ফিলা ডেল ফিয়া নামে একটি মিশনারী প্রতিষ্ঠান রাজধানীর হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে। স্বাধীনতার পর ওই মিশনারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির কাছে হাসপাতালটি হস্তান্তর করে।এরপর দীর্ঘদিন মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা থেকে গৌরব হারাতে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।

হাসপাতালের পরিচালক জানান, বর্তমানে আয়ের তুলনায় ব্যয় অনেক বেশি। প্রয়োজনের চেয়ে তিনগুণ বেশি জনবল এবং উচ্চ বেতনের কারণে হাসপাতাল ভুগছে অর্থ সংকটে। বকেয়া পড়েছে কর্মীদের বেতন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, চিকিৎসা নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও পরীক্ষা-নীরিক্ষার খরচ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেশি। ডায়রিয়া নিয়ে ভর্তি হওয়া একজন রোগীর তিনদিনের মোট খরচ ৮ হাজার ৩২৩ টাকা।তিনি আরো জানান, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হাসপাতালগুলোর আয় থেকেই খরচ নির্বাহ হয়। অর্থের অভাবে বন্ধ হয়েছে দিনাজপুরের হাসপাতাল। সরকার থেকে বরাদ্দও কম।
সমস্যা সমাধানে হাসপাতালে অপ্রয়োজনীয় লোকবল কমানো, রাজণৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা ও বিশেষায়িত চিকিৎসা বাড়ানোর পরামর্শ দেন তারা।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














