কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই পেঁয়াজের বাজারে। সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সরকার, লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম। সকালে এক দাম-বিকেলে সেটা বেড়ে হচ্ছে আরেক দাম। পাল্টাচ্ছে না পেঁয়াজের বাজারের চিত্র।
রাজধানীর বৃহৎ পাইকারী বাজার শ্যামবাজারে পেঁয়াজের সংকট। দেশি পুরাতন পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে। যা খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে আড়াইশো টাকায়। আমদানীকৃত মিয়ানমারের পেঁয়াজ যা আসছে, তাও নিম্নমানের বলে জানিয়েছেন আড়তদাররা। দ্রুত আমদানির ব্যবস্থা না করা হলে দাম আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের।নিয়ন্ত্রণহীন পেঁয়াজের বাজার। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি দুইশ’ টাকা ছাড়িয়েছে পেঁয়াজের দাম।

শ্যামবাজারের আড়তদাররা বলছেন, তাদের কাছে নেই পেঁয়াজের মজুদ। প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা থেকে আনা পেঁয়াজ বিক্রি করছেন তারা। যা বাড়তি দামেই কিনতে হচ্ছে। ফলে বিক্রিও করতে হচ্ছে চড়া দামে। এছাড়া মিয়ানমার থেকে যে পেঁয়াজ আসছে তার সিংহভাগই পঁচে যাওয়া। তারা বলছেন, সরবরাহ না বাড়লে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম আরো বাড়বে। বর্তমানে পাইকারী বাজারে পেঁয়াজের মূল্য কেজি প্রতি ২১০ থেকে ২২০ টাকা। দেশী পেঁয়াজের সবচেয়ে বড় যোগান আসে ফরিদপুর থেকে, সেখানেও বিক্রেতারা বাড়িয়েছেন দাম।
গত শুক্রবার রাজধানীর খুচরা বাজারে ১০০ টাকায় এক কেজি পেঁয়াজ মিললেও এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম দাঁড়িয়েছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা। একই চিত্র সারাদেশে। পেঁয়াজের আকাশছোঁয়া দামে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ব্যর্থতাও দেখছেন অনেকে।
শুধু পেঁয়াজের বাজারেই না, সবজিসহ অন্যান্য পণ্যের বাজারেও রয়েছে উর্ধ্বগতি। বিক্রেতারা বলছেন, বুলবুলের কারণে ফসল নষ্ট হওয়ায় বেড়েছে দাম। তবে ক্রেতারা দুষলেন বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাকে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























