ক্যাসিনোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া গেছে মন্ত্রী, এমপি, ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। র্যাব জানিয়েছে, সম্রাট, খালেদ ও জিকে শামীমসহ ৯ জন, এসব নাম দিয়েছেন। তদন্তের পর এই প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।
১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মতিঝিলে ইয়ংমেন্স ক্লাবে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের শুরু। ৪১ দিনে ক্লাব, বার, অফিস ও বাসায় ২০টি অভিযান চালিয়েছে র্যাব। জব্দ হয়েছে ৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, ১৬৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার এফডিআর, ১১ কোটি ৭৭ লাখ টাকার চেক, ৪ কোটি টাকার স্বর্ণ। দেশি-বিদেশী ২০ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার হয়েছে। মামলা হয়েছে ১৯টি।গ্রেপ্তার হয়েছেন, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও জি কে শামীম, আরমান, লোকমান, ফিরোজ, মিজান, রাজীব ও সেলিম। ক্যাসিনো ও মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানা অভিযোগ এদের বিরুদ্ধে।এছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে পদ হারিয়েছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোল্লা কাওসার ও সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ। ক্যাসিনো সংশ্লিষ্টতার দায়ে বহিষ্কার হয়েছেন কাউন্সিলর মমিনুল সাঈদ, যুবলীগ নেতা আনিসুর রহমান।৩ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি ও সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন দুইজন। বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে ২২ জনের বিরুদ্ধে। ৫০ জনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে দুদক।
ক্যাসিনোর ঘটনায় দায়ের হওয়া ১৯ মামলার ১১টির তদন্ত করছে র্যাব। এরই মধ্যে খালেদ ও শামীমের অস্ত্র মামলার অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে।নভেম্বরের মধ্যে বাকি ৯ মামলার অভিযোগপত্র জমা দেবে র্যাব। সংস্থাটি জানিয়েছে, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে আরো অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম।এদিকে অর্থপাচারের ৮ মামলার তদন্ত শেষ করতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে সিআইডি। সম্রাট, খালেদ ও শামীমদের অবৈধ সম্পদের খোঁজে ২৪ সংস্থার কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























