প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা,পুলিশের কড়াকড়িসহ নানা ব্যবস্থার পরও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরছেনা কোনো ভাবেই। প্রশিক্ষনবিহীন আনাড়ি হাতে গাড়ি চালানো, যেখানে-সেখানে গাড়ি থামানো আর বিপজ্জ্বনক যাত্রী ওঠানামা বন্ধের কোনো লক্ষন নেই। আছে পথচারীদের বেপোরোয়া রাস্তা পারাপারের দৃশ্যও। এসব ঠেকাতে চালক, মালিক, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাসহ সকলের সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ পরিবহন সংশ্লিষ্টদের।
ছুটে চলার প্রতিযোগিতা। বাসের সঙ্গে বাস। মানুষের সঙ্গে মানুষ। কেউই পিছিয়ে নেই গন্তব্যে পৌঁছানোর দৌড়ে। হরহামেশায় জেনে কিংবা না জেনে সড়কে ঝুঁকি নিচ্ছেন, বেশির ভাগ মানুষ।

এছাড়াও সড়ক নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর দূর্বলতারও শেষ নেই। সিগন্যাল বাতি না থাকায় হাতের ইশারায় কিংবা রশি টেনে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে যানবাহন। আর আইন না মানার প্রতিযোগিতা তো রয়েছেই।

সড়কে এমন বিশৃঙ্খলার জন্য অন্যের ওপর দায় চাপানোর প্রবণতা সবার। তবে, পরিবহন বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না, দরকার সমন্বিত ব্যবস্থা।

সড়কের শৃঙ্খলা ফিরাতে কি করা দরকার তা চিহ্নিত হয়েছে, এখন নিতে হবে কার্যকর উদ্যোগ।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে