আবারো মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। শুধু রাজধানী নয়, ছড়িয়ে পড়েছে জেলা শহরগুলোতেও। ঠুনকো ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠছে তারা। পাচ্ছে রাজনৈতিক মদদও। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, কিশোর গ্যাং কে যারা মদদ দিচ্ছে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
রাজধানীর পাড়া-মহল্লার অনেক দেয়ালের চিত্র এমন। নিজেদের গ্যাং এর নাম বা সাংকেতিক চিহ্ন লিখে অস্তিত্ব জানান দেয় ওরা। সেভেন স্টার, নাইন স্টার, ডিস্কো বয়েজ, গ্যাং স্টার এমন অনেক নাম তাদের। শুধু দেয়াল নয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সক্রিয় ওরা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য বলছে, রাজধানীতে ৫০ এর বেশি কিশোর গ্যাং রয়েছে। যাদের প্রায় ২’শ জনকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মূলত স্কুল-কলেজের কিছু শিক্ষার্থী আড্ডা দিতে দিতে গড়ে উঠে এ ধরনের গ্যাং। গ্রুপের নাম বিভিন্ন ‘হরর ফিল্ম’ও ভিডিও গেমস থেকে নেয় তারা। পাড়া-মহল্লায় দল বেঁধে ঘুরে বেড়ানো, স্কুল-কলেজের সামনে আড্ডা দেয়া, মোটরসাইকেল নিয়ে মহড়া, মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা, দল বেঁধে মাদক সেবন, এক স্টাইলে চুল কাটাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করতে গড়ে তুলছে ‘কিশোর গ্যাং’। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে খুনোখুনিতে জড়িয়ে পড়ছে তারা। কিশোরদের এমন আচরণে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা।

অনুসন্ধান বলছে, এলকার বড় ভাই ও স্থানীয় রাজনৈতিক কিছু নেতা মদদ দিচ্ছে এসব কিশোরদের। ব্যবহার করছে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের ঢাল হিসেবে। অস্ত্র ও মাদক যোগান দেয়ার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। গ্যাং কালচার রুখতে মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সেই সাথে গ্যাং কালচারের মদদদাতা ও অভিভাবকদেরও সতর্ক করেন তারা। সামাজিক অবক্ষয় ও সুশাসন না থাকায় কিশোররা বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে মনে করেন সমাজ বিশেষজ্ঞ নেহাল করিম। দেশের তরুণ সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে রাষ্ট্র ও অভিভাবকদের আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























