ইবি প্রতিনিধিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীর নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কল্পে গঠিত নয় সদস্য বিশিষ্ট ‘অভিযোগ কমিটি’ তে যাচাই বাছাইয়ের জন্য প্রেরণ করেছে প্রশাসন।

২১ জুলাই রবিবার ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার এস এম আবদুল লতিফ স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ছাত্রী মোছাঃ নাজমুন নাহার টুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মাহবুবুল আরফিন কর্তৃক যৌন হয়রানির স্বীকার হয়েছে দাবী করে উপাচার্য বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অধ্যাপক আরফিন কে একজন ম্যাডামের সাথে তার রুমে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলার পর থেকে সে তাকে নানা ভাবে এড়িয়ে চলে এবং বিয়ের কথা বলতে গেলে আরফিন তা অস্বীকার করে এবং রেগে যায়।আবেদনে মেয়েটি আরও উল্লেখ করে সে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার তার সাথে একাধিকবার শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। প্রতিশ্রুতি দিয়েও বিয়ে না করায় সে প্রতারণার শিকার হয়েছে বলে দাবি করে। ঘটনার প্রমাণ স্বরূপ অভিযোগ পত্রের সাথে একটি অডিও জমা দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে পড়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগও ঘটনাটির সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে। কমিটিকে দ্রুত রিপোর্ট পেশ করার জন্য অনুরোধ করা হয়।উল্লেখ্য নিয়োগে স্বজনপ্রীতির চেষ্টা করায় অধ্যাপক আরফিনকে ইতঃপূর্বে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ৬২ তম সিন্ডিকেট সভায় আজীবনের জন্য “কালো তালিকাভুক্ত” করে এবং চিঠিটি ইবি উপাচার্য বরাবর প্রেরণ করে।
প্রিতম মজুমদার
ইবি নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























