টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কমপক্ষে ১৩ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। যমুনা, তিস্তা ও সুরমাসহ বেশ-কটি নদ-নদীর পানি বইছে বিপৎসীমার ওপরে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে বেশ কিছু এলাকা। পানিবন্দি আছে লক্ষাধিক মানুষ। নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপরে। যা ২০ বছরের রেকর্ড ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তিস্তা ব্যারেজের সবকটি গেইট খুলে দিয়েছে কতৃপক্ষ।

রংপুর ও লালমিটারহাটে নদীর তীরবর্তী এলাকায় খাদ্যসহ বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পানি ঢুকে পড়ায় ১৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মৌলভীবাজারে ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে রামপাশা গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বিপৎসীমার ওপরে বইছে মনু, কুশিয়ারা ও ধলাই নদীর পানি। দুর্বল বাঁধ দীর্ঘদিন ধরে মেরামত না হওয়ায় বন্যার পানি বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সিলেটের সারি এবং গোয়াইন নদীর পানি কমলেও কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার পানি বেড়েছে। অব্যাহত বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জ জেলা সদরের সঙ্গে তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুরের যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

নেত্রকোণা ও শেরপুরেও পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে প্লাবিত হয়েছে ৪৭ গ্রাম। জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টেয মুনার পানি বিপৎসীমার ওপরে বইছে। কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বাগুয়ারচরে নদী ভাঙনে ৫০ পরিবার গৃহহীন হয়েছে। বন্যা ও ভাঙন মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। লক্ষ্মীপুরে মেঘনার পানি বাড়ায় রামগতি ও কমলনগরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। মাতাব্বরনগর, লুধূয়া, চরকালকিনিসহ ১০টি গ্রামের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন।এদিকে, ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বেঁড়িবাধের ১০টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে