চট্টগ্রামে অব্যাহত ভারি বর্ষণে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন নগরবাসী। বৃষ্টির কারণে গণপরিবহনও রাস্তায় কম। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, অভিভাবক, চাকরিজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষপতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ প্রদীপ কান্তি নাথ জানান, আজ সোমবার  (৮ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৮ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। সমুদ্রবন্দরগুলোকে আজও ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহন চালকরা গাড়ি বের না করায় দেখা দিয়েছে গণপরিবহন সংকট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলো গাড়িতে উঠতে পারছে না। নগরের ওয়াসার মোড়, বাকলিয়ার চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ, আগ্রাবাদ সিডিএ, হালিশহর, অক্সিজেন, বহদ্দারহাট, চকবাজার, মুরাদপুরসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পাশাপাশি ফ্লাইওভারগুলোতে জমে আছে বৃষ্টির পানি।

টানা বৃষ্টিতে দামপাড়ায় চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান কার্যালয়ের নিচতলায় হাঁটু পানি উঠে গেছে। ফলে নিচতলায় অবস্থিত কার্যালয়গুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওয়াসা ভবনে প্রবেশ ও বের হতে কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ গ্রাহকদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পাম্প বসিয়ে পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওয়াসার উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) গোলাম হোসেন।এদিকে ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসের শঙ্কায় জেলা প্রশাসন ঝুঁকিপ্র্ণূ পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়েছে। রেড ক্রিসেন্ট নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে। যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় মেডিকেল টিম গঠন করেছে জেলা সিভিল সার্জন অফিস।

ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের (ডব্লিউটিসি) নির্বাহী পরিচালক মাহবুব রশীদ জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে (বঙ্গোপসাগর) বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে খাদ্যশস্যসহ বৃষ্টিতে ভিজলে নষ্ট হয় এমন খোলা পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। তবে পাথর জাতীয় কিছু পণ্য লাইটার জাহাজে খালাস হচ্ছে।চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এনসিটি, সিসিটি ও জিসিবি বার্থের জাহাজে কনটেইনার হ্যান্ডলিং স্বাভাবিক রয়েছে।

তথ্যঃ বৈশাখী
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে