পুঁজিবাজারে ক্যাশ ডিভিডেন্ট উৎসাহিত করতে স্টক ডিভিডেন্ডের উপর কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। এছাড়াও কোম্পানি আইনের সংশোধনসহ বাজারকে গতিশীল করতে থাকছে নানা প্রণোদনা। তবে পুঁজিবাজারে সুশাসনের বিষয়টি বাজেটে উপেক্ষিত হয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকদের।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। তাই বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশিত প্রাপ্তি নিশ্চিতে স্টক ডিভিডেন্ডের ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপের বিধান রাখা হয়েছে এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে। ডিভিডেন্ড আয়ের ক্ষেত্রে করমুক্ত সীমা ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার করা হচ্ছে।পুঁজিবাজারের দেশি ও বিদেশি সব কোম্পানির ক্ষেত্রে ডিভিডেন্ড আয়ের ওপর একাধিক বার কর আরোপ রোধ করার বিধান কার্যকর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি দূর্বল কোম্পানির সাথে সবল কোম্পানির একীভূতকরণের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি কোম্পানি আইন সংস্কারের বিধানও রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। এবারের বাজেটকে পুঁজিবাজারবান্ধব হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। এ উদ্যোগ পুঁজিবাজারকে গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেও মনে করছেন তারা। তবে নতুন অর্থবছরের বাজেটেও নেই বন্ড মার্কেট সম্প্রসারণের সুনির্দিস্ট কোন নির্দেশনা। এ ক্ষেত্রে আইসিবির ভূমিকাকে আরও জোরালো করার তাগিদ বিশ্লেষকদের।

এদিকে, বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য প্রস্তাবগুলোকে ইতিবাচক মনে করছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ সিপিডি। তবে পুঁজিবাজারে সুশাসন নিশ্চিত করা ও কাঠামোগত সংস্কার না হলে, এসব প্রণোদনায় তেমন কাজ হবে না বলছে সিপিডি।

তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে