বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ১২তম ম্যাচে ফেবারিট ইংল্যান্ডের দেয়া ৩৮৭ রানের টার্গেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৮.৫ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৮০ রান। মেহেদী হাসান মিরাজ ১২ রান করে আউট হন জফরা আর্চার এর বলে। এর আগে সাকিব আল হাসান ১২১ রান করে আউট হন। মোহাম্মদ মিঠুন কোন রান না করে ফিরে যান। সৌম্য সরকার ২ রান করে ও তামিম ইকবাল ১৯ করে এবং মুশফিকুর রহিম ৫০ বলে ৪৪ রান করে আউট হন।

এর আগে, হোস্ট ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংইয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ইংল্যান্ড ৩৮৬ রানের পাহাড় গড়ে। ইংলিশ দুই ওপেনার জেসন রয়ের সেঞ্চুরি এবং বেয়ারস্টো’র হাফ সেঞ্চুরিতে উড়ন্ত সূচনা করে ইংল্যান্ড। মাত্র ১৫ ওভারেই তুলে নেয় শতরান। ২৫ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৫৪ রান। মাত্র ৩১ ওভারেই ২ উইকেট হারিয়ে ইংলিশদের সংগ্রহ করে ২০৫ রান।

১২৮ রানে ইংল্যান্ডের প্রথম উইকেটের পতন হয়। ৫০ বলে ৫১ রান করা বেয়ারস্টো উইকেটটি নেন টাইগার ক্যাপ্টেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। উঠিয়ে দেয়া বলটি ক্যাচ ধরেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে ২০৫ রানে। জো রুটকে ২১ রানে ফেরান মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।২৩৫ রানে পতন ঘটে তৃতীয় উইকেটের। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ১২১ বলে ১৫৩ রান করে আউট হন জেসন রয়। ইংল্যান্ডের চতুর্থ উইকেটটি পরে যখন হাফ সেঞ্চুরি করা বাটলার আউট হন দলীয় ৩৩০ রানে। বাটলারের উইকেটটি নেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

পঞ্চম উইকেটের পতন ঘটে ৩৪০ রানে। ৩৫ রানে ইয়ন মরগানকে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। আর ষষ্ঠ উইকেটটি পরে দলীয় ৩৪১ রানে। ৬ রান বেন স্টোকসকে ফেরান মুস্তাফিজুর রহমান।ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৫৩ রান করেন জেসন রয়। এছাড়া বেয়ারস্টো ও বাটলার করেন যথাক্রমে ৫১ ও ৬৪ রান।বাংলাদেশের পক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন নেন দুইটি করে উইকেট। এছাড়া টাইগার ক্যাপ্টেন মাশরাফী ও মুস্তাফিজুর রহমান নেন ১টি করে উইকেট।শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিধ্বস্ত করে দুর্দান্তভাবে বিশ্বকাপযাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ। তবে পরের ম্যাচেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লড়াই করে হেরে যায় টাইগাররা। ফলে ২ খেলায় ২ পয়েন্ট নিয়ে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেছে তারা। অন্যদিকে ২ খেলায় ২ পয়েন্ট ইংলিশদেরও।

বাংলাদেশের মতো দুর্দান্ত জয় নিয়ে এবারের বিশ্বকাপ শুরু করে তারাও। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১০৪ রানের ব্যবধানে হারিয়ে শুভ সূচনা করে স্বাগতিকরা। কিন্তু পরের ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে বিধ্বস্ত হয় ইংলিশরা। শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচে ১৪ রানে হারে ইংল্যান্ড। স্বভাবতই এ ম্যাচে জয় চায় বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড।২০১১ আর ১৫ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হেরেছে ইংলিশরা। কিন্তু গেল বিশ্বকাপের পর থেকেইতো আমুল বদলেছে ওরা। এখন আর ব্যাকরণের ধার ধারে না। অ্যাটাকি ক্রিকেটে ঘায়েল করে প্রতিপক্ষকে। ইংল্যান্ডকে তাদের মাটিতে বাংলাদেশ হারিয়েছে একবারই- ২০১০ সালের ন্যাটওয়েস্ট সিরিজে।

তথ্যঃ ডিবিসি
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে