কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ॥ তীব্র তাপদাহে পুড়ছে কুষ্টিয়া অঞ্চল। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টির দেখা নেই। প্রতিদিনই বাড়ছে তাপমাত্রা। শহর থেকে শুরু করে গ্রামীণ জীবন সর্বত্র হাসঁ ফাঁস অবস্থা মানুষের। প্রচণ্ড গরমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কুষ্টিয়ার জনজীবন। উচ্চ তাপমাত্রার ফলে হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বাড়ছে রোগীদের ভিড়।
কুষ্টিয়া আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, শুক্রবার (১০ মে) বিকেল ৩টা পর্যন্ত কুষ্টিয়ায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাধারণ মানুষ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। এই রমজানে শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে দেখা গেছে আখের তৈরি রস, ঠাণ্ডা পানি ও লেবুর শরবত বিক্রি বেড়াছে ভ্রাম্যমাণ দোকান গুলোতে। বিক্রি বেড়েছে ফলমূলের। কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর লালল ফল ভান্ডারের লালন, রমজান, শাজাহানসহ অনেকে জানান এই তীব্র এই গরমে ফলের আগ্রহ অনেক ক্রেতাদের বেশি। কারণ এই রমজান উপলক্ষে ফল ফ্র্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে শরবত পান করে তারাও উপকৃত হচ্ছেন।কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর গ্রামের ভ্যানচালক রতন দাস বলেন, সকাল ১১টা পর্যন্ত ভাড়া মারতে পারছি। তারপর থেকে আর রাস্তায় ভ্যান নিয়ে নামতে পারছি না। বাতাসের সঙ্গে প্রখর রোদের তাপের কারণে ভ্যান চালাতে পারছি না।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. তাপস কুমার পাল জানান, প্রচণ্ড গরমে ঠাণ্ডা, জ্বর ও ডায়রিয়ার রোগী বাড়ছে। তাপদাহজনিত কারণে প্রধানত হিট স্ট্রোকের আশঙ্কা থাকে। এখন পর্যন্ত সেরকম রোগী ভর্তি হয়নি। তবে বেশ কিছু শ্বাস কষ্টজনিত ও পেটের সমস্যা নিয়ে রোগী ভর্তি হয়েছে। তিনি বলেন, এই গরমে বেশি পরিমাণে পানি, লেবু শরবত, বেলের শরবত এবং ওরস্যালাইন খাওয়া ভালো।
কে এম শাহীন রেজা
কুষ্টিয়া নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























