বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি কিডনি বিভাগ চালু থাকলেও চিকিৎসকের অভাবে দীর্ঘদিন এখানে চিকিৎসার সেবা বন্ধ ছিলো। কারণ পর্যাপ্ত চিকিৎসকের অভাব। সম্প্রতি একজন চিকিৎসক যোগ দেয়ায় কিছুটা আশার সঞ্চার হয়েছে রোগীদের মাঝে। তারপরও নানান সীমাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসার জন্য দক্ষিণাঞ্চলের ৬ জেলায় রোগীদের ছুটতে হয় ঢাকায়।
২০০৪ সালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮টি বেড নিয়ে চালু হয় কিডনি বিভাগ। আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা হয় ডায়ালাইসিসের তিনটি যন্ত্র। কিন্তু চিকিৎসক না থাকায় চালু হয়নি সেবা।এরপর ২০০৯ সালে একজন চিকিৎসক যোগ দিলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বদলি হয়ে যান। আর ২০১৪ সাল থেকে তালাবন্ধ রাখা হয় কিডনি বিভাগ।কিডনি চিকিৎসার সুবিধা না থাকায়, বাধ্য হয়ে দক্ষিণের ছয় জেলার রোগীদের ছুটতে হয় ঢাকায়। তবে আশার কথা শোনালেন, হাসপাতালের পরিচালক। জানালেন, যোগ দিয়েছেন নতুন চিকিৎসক।
হাসপাতালের পরিচালক আরো জানান, পূর্ণাঙ্গভাবে কিডনি চিকিৎসা সেবা দিতে আরো ৫টি ডায়ালাইসিস যন্ত্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














