সংলাপ, সহনশীলতা ও শান্তি’ স্লোগানে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে বিশ্ববেতার দিবস। বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় বেতার ভবনে দিবসটির উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ডক্টর হাছান মাহমুদ।
মুক্তিযুদ্ধকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে কন্ঠযোদ্ধারা মানুষকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। ১৯০৬ সালে বিশ্বব্যাপী বেতার চালু হলেও বাংলাদেশে আসে ১৯৩৯ সালে; এরপর থেকে এই মাধ্যমটি মানুষের বিনোদনের মাধ্যম হিসেবেই নয় বহুসংগ্রাম- ইতিহাসের চলার বাহন ও সাক্ষী হয়ে আছে বলে মন্তব্য করলেন স্বাধীন বাংলাদেশ বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মাঝহারুল ইসলাম।
প্রযুক্তির কল্যানে বহুমাধ্যম আজ মানুষের দোরগোড়ায় থাকলেও বেতারের আবেদন কমেনি। নবীন প্রজন্মের কাছেও জনপ্রিয় বেতার। শত বছরেরও বেশি সময় ধরে বেতারের অনুষ্ঠানে যেমন এসেছে অনেক পরিবর্তন তেমনি এর অবকাঠামোতেও ছিল ধারাবাহিকতার ছাপ। বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি নানা ধরণের রেডিও প্রস্তুত করেছে। যা এখন প্রায় দুর্লভ। এই মাধ্যমটির প্রতি বিশেষ আকর্ষণ থাকায় স্বযত্নে আগলে রাখার প্রচষ্টা সংগ্রাহক মোফাজ্জল হোসেনের।
সংলাপ, সহনশীলতা ও শান্তি স্লোগানে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় বেতার ভবনে দিবসটির উদ্বোধন করে তথ্যমন্ত্রী ডক্টর হাছান মাহমুদ। এসময় তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও বাংলাদেশের শান্তির প্রেক্ষাপটে স্লোগানটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
এছাড়া, দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ বেতার ও বিভিন্ন এফএম রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করছে।
নিউজ ডেস্ক।। বিডি টাইম্স নিউজ





























