প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকের উপস্থিতি কিছুটা বেড়েছে। তবে এখনো সেবার মান নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারছেন না রোগীরা। এক্ষেত্রে চিকিৎসক, নার্স ও জনবল সংকটের কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ২১ জানুয়ারি রাজধানীসহ দেশের আট জেলার ১১টি সরকারি হাসপাতালে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন। সেসময় হাসপাতালগুলোতে ৪০ শতাংশ চিকিৎসকের অনুপস্থিতি দেখতে পায়। এরপর রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের হাজিরার বিষয়ে সতর্ক করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এমন কঠোর নির্দেশনার পরও বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকের উপস্থিতি সন্তোষজনক নয়, বাড়েনি সেবার মানও। রয়ে গেছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগও। চিকিৎসক সংকটে রাজশাহী জেলার দশটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। এসব স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ২২৬ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ১১৬ জন। নতুন চিকিৎসক নিয়োগ না হলে সংকট কাটানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন রাজশাহীর সিভিল সার্জন।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনার পর বরিশালের অধিকাংশ হাসপাতালের পরিবেশের কিছুটা উন্নয়ন হলেও বাড়েনি সেবার মান। বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় চিকিৎসকের ৩৩ পদের মধ্যে ৮টিই শুন্য। চিকিৎসক সংকট রয়েছে বগুড়ার হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতেও। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯৪ জন চিকিৎসকের পদের বিপরীতে কর্মরত ১৪৫ জন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোরও একই অবস্থা। ৩৩০ জন চিকিৎসকের মধ্যে আছেন মাত্র ১২১ জন।

তবে ব্যতিক্রম চিত্র দেখা গেছে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কম লোকবল নিয়েই রোগীদের সেবা দেয়ার চেষ্টা চলছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও দুদকের অভিযানের পর নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে সেবার কিছুটা মানোন্নয়ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। কিছুটা কমেছে দালালদের দৈরাত্ম‍্য।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে