চিকিৎসা সেবায় নানা অনিয়ম ধরতে দুদকের অভিযানের পরপরই আকাশ-পাতাল পরিবর্তন দেখা গেছে দেশের বিভিন্ন স্থানের সরকারি হাসপাতালগুলোতে। কর্তৃপক্ষ সচেতন হওয়ায় সকাল থেকেই হাসপাতালে উপস্থিত হয়েছেন অধিকাংশ চিকিৎসক। উন্নত হয়েছে সেবার মানও। এ পরিবর্তনে খুশি হলেও বেশ কয়েকটি হাসপাতালের চিকিৎসকদের এখনও টনক নড়েনি বলে অভিযোগ রোগী ও স্বজনদের।
সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানের সময় পাবনা সদর হাসপাতালে মাত্র ১৪ জন চিকিৎসক পাও্য়া যায়। মাত্র একদিনের ব্যবধানে পাল্টে গেছে চিত্র। মঙ্গলবার সকালেই হাসপাতালে উপস্থিত হন বিভিন্ন বিভাগের ৪৬ জন চিকিৎসকের প্রায় সবাই। চিকিৎসা দেয়ার ক্ষেত্রেও কর্তৃপক্ষ বেশ আন্তরিক বলে জানিয়েছেন রোগীরা।
সদর হাসপাতালের পাশপাশি বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মান উন্নয়নেও সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে চলছে পরিদর্শন। সতর্ক করা হয়েছে প্রতিটি হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সবাইকে।
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ চিকিৎসকের ৪ জন উপস্থিত থাকার কথা সোমবারের অভিযানের সময় জানায় দুদক। তবে, মঙ্গলবার সবাই ছিলেন কর্মক্ষেত্রে। পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে জেলার অন্য হাসপাতালগুলোতেও।
দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালে ২৬ জন চিকিৎসকের প্রায় সবাইকেই হাসপাতালে দেখা গেছে মঙ্গলবার। সেবা নিতে তেমন কোন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না বলে জানান রোগীরা।
রংপুরের পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১০ চিকিৎসকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অনুপস্থিত ৩ জন। দুদকের অভিযানের পর তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তবে, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিস্থিতি আগের মতই। অভিযানের পরও সেবার মানে নেই কোন পরিবর্তন। মঙ্গলবার সকাল পৌনে দশটায়ও হাসপাতালের অধিকাংশ কক্ষ ছিল তালাবদ্ধ। যদিও চিকিৎসকদের দাবি, তাদের কোন গাফিলতি নেই। এছাড়া, রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ অন্যান্য হাসপাতালগুলির সেবার মানেও তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














