বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টার পরিচালনায় নেই কোনো আইন বা বিধি। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ইচ্ছেমতো সেবা মূল্য নির্ধারণ করে তা রোগীদের কাছে আদায় করে থাকে। এতে হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হন রোগীরা। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানালেন, শিগগিরই সব ধরনের সেবা মূল্য ঠিক করে দেবে সরকার।

দেশে রোগীদের একটি বড় অংশ চিকিৎসা সেবা নেয় বেসরকারি হাসপাতালে। অথচ আইন ছাড়াই চলছে দেশের ২৫ হাজার বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টার।রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের খরচ ১০ থেকে ২০ টাকার মধ্যে হলেও হাসপাতাল ভেদে আদায় করা হয় ২০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত। বেড ভাড়া, আইসিইউ ভাড়া, রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার ফি নির্ধারণেও নেই কোনো নিয়ম। একই মানের হাসপাতালে একই ধরনের সেবার মূল্য আলাদা।হাসপাতাল পরিচালনায় ১৯৮২ সালে একটি আইন করা হয়। সেখানে সর্বনিম্ন ৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬০০ টাকায় নির্ধারণ করা আছে ১০৫ ধরনের সেবার মূল্য। বর্তমানে এই আইনের প্রয়োগও নেই, আর এর আধুনিকায়নেও সক্রিয় নয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, রোগীর হয়রানি বন্ধ ও টেকসই স্বাস্থ্য খাত গড়তে সেবা মূল্য নির্ধারণের কাজ চলছে। স্বাস্থ্যবিভাগ বলছে, হাসপাতালের মান ও সেবার ওপর ভিত্তি করে ঠিক করে দেওয়া দেওয়া হবে সেবা মূল্য।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে