বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জনপদ সেন্ট মার্টিন। এক সময় নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত এই দ্বীপটি দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। মূলত স্বচ্ছ পানি আর প্রবালই সেন্টমার্টিনের মূল আকর্ষণ।
হাজার বছর ধরে গড়ে ওঠা এই প্রবাল দ্বীপ ঘিরে রয়েছে বৈচিত্রপূর্ণ জীবজগতও। কিন্তু মানুষের অনিয়ন্ত্রিত চলাফেরা, অপচণশীল বর্জ্য আর অসচেতণতার কারণে হুমকির মুখে পড়েছে ৬৮ প্রজাতির প্রবাল নিয়ে গড়ে ওঠা সেন্ট মার্টিন।

সাড়ে ৮ বর্গকিলোমিটারের দ্বীপটিতে বসবাস প্রায় ৯ হাজার মানুষের। এছাড়া পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন গড়ে এখানে আসে ৭ হাজারেরও বেশি পর্যটক। দ্বীপটিতে থাকা হোটেল-মোটেলের বর্জ্য ফেলা হয় সাগরে, ফেলা হচ্ছে প্লাস্টিকসহ নানা ধরণের অপচণশীল বর্জ্য। এছাড়া জাহাজের ইঞ্জিনের পাখার কারণে বালু পড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে প্রবাল, নতুন করে জন্মও নিচ্ছেনা। সেন্ট মার্টিনের প্রবালের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা তাই শোনালেন বৈচিত্রময় দ্বীপটি নিয়ে আশু বিপর্যয়ের কথা।

মূল্যবান এই প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতির পাশাপাশি সংঘবদ্ধ একটি চক্র প্রশাসনের অগোচরে সরিয়ে নিচ্ছে জীবীত ও মৃত প্রবাল। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ সেন্ট মার্টিন জীববৈচিত্র উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রবাল রক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

পরিবশবিদরা বলছেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, প্রবাল ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র সংরক্ষণে প্রয়োজন সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা। এজন্য সরকারের পাশাপাশি সচেতণ হতে হবে পর্যটক আর দ্বীপ সংশ্লিষ্ট সবাইকে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














