আমদানি পণ্যে শুল্ক ফাঁকির তথ্য পেলে তা ছাড়ে নিষেধাজ্ঞা দেয় শুল্ক গোয়েন্দা। অভিযোগের সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত ওই পণ্য বন্দরে থাকে কাস্টম কর্তৃপক্ষের জিম্মায়। সম্প্রতি এভাবে আটক থাকা কিছু পণ্য নিয়ে তদন্ত শুরু করেন গোয়েন্দারা। তবে বন্দরে গিয়ে পাওয়া যায়নি সেসব পণ্য। এতে শুরু হয় অধিকতর তদন্ত।

পরে বেরিয়ে আসে বড় জালিয়াতির তথ্য। শুল্ক গোয়েন্দা বলছে, বন্দরের সাবেক দুই কর্মকর্তার আইডি হ্যাক করে খালাস করা হয়েছে পণ্যের চালান। আর তাদের আইডি ব্যবহার হয়েছে প্রায় ৪ হাজারবার। কর্মকর্তাদের ধারণা, প্রতিবারে খালাস করা হয়েছে এক বা একাধিক চালান।

২০১৬ সাল থেকে চলা এ জালিয়াতিতে জড়িত সন্দেহে সাত সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছেন গোয়েন্দারা। এরই মধ্যে রাজধানী থেকে আটক হয়েছেন, সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান এম আর ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক মিজানুর রহমান চাকলাদার। এই জালিয়াতিতে কোনো বন্দর কর্মকর্তা জাড়িত কি-না খতিয়ে দেখা হচ্ছে তাও।

এঘটনা সব কাস্টমস হাউস ও এনবিআর চেয়ারম্যানকে জানিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা। পাশপাশি আর কোনো আইডি হ্যাক হয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























