একাদশ জাতীয় সংসদে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট কাউকে দেখতে চায় ক্রীড়াঙ্গন। দক্ষতা বাড়াতে যুব ও ক্রীড়ার জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে অবকাঠামোতে ব্যয় কমিয়ে, অনুশীলনে বরাদ্দ বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

সম্ভাবনা সত্ত্বেও সদ্ব্যবহার হয়নি কখনো। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে পূর্ণমন্ত্রী দেখা গেছে খুব কম। প্রতি বা উপমন্ত্রী পদে যারা কাজ করেছেন তাদের প্রায় কেউই ছিলেননা ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট। তবে একাদশ অধিবেশনের আগে পরিস্থিতি ভিন্ন। সংশ্লিষ্টদের আশা জাগাচ্ছে সংসদে সালাম- মাশরাফী-দুর্জয়দের মত সাবেক খেলোয়াড়দের উপস্থিতি।

নতুন মেয়াদে ক্রীড়াঙ্গনের দায়িত্বে প্রত্যাশা পূর্ণমন্ত্রীর। শুধু বরাদ্দই নয়, খেলার প্রতি প্রশাসনের মনোভাবে পরিবর্তন দেখতে চান সংশ্লিষ্টরা। নারী ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রশাসনে নারীদের সংখ্যা বাড়ানোর পরামর্শ তাদের।

দুর্নীতি কমাতে অবকাঠামোতে ব্যয় কমিয়ে, অনুশীলনে বরাদ্দ বাড়ানোর পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।
পুরনো চক্র ভেঙে ক্রীড়াঙ্গনে সুযোগ নতুন শুরুর। ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট কারো নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়াবে দেশের ক্রীড়াঙ্গন, প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে