প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতিসহ অর্থনীতির সব বিষয়ে ৫ বছরের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা দিয়ে চূড়ান্ত আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহার। থাকছে কৃষি, শিল্পসহ দেশের সব খাত নিয়ে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি। পাশাপাশি রাখা হয়েছে গ্রামের মানুষের জীবন-মান উন্নয়নের কর্ম-কৌশলও। দলের নেতারা বলছেন, উন্নয়নের রাজনীতির প্রতি গণমানুষের ব্যাপক সমর্থনকে আরও বেশি বেগবান করবে এবারের ইশতেহার।
আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য, অর্জন, ঘাত-প্রতিঘাত ও উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলার ইতিহাস তুলে ধরা হচ্ছে এবারের ইশতেহারে। গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে শেখ হাসিনা সরকারের সফল্যের দিকগুলোও। পাশাপাশি, আগামী ৫ বছরে দলের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত থাকছে কর্ম-কৌশলসহ।২০২৩ সালের পর আওয়ামী লীগের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে যে ডেল্টা প্ল্যানের কথা বলছেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা, সে বিষয়ের নানা দিক তুলে ধরা হচ্ছে এবারের ইশতেহারে।
গ্রামে বাস করা দেশের ৬০ ভাগ মানুষের জীবন-মান উন্নয়ন এবারের ইশতেহারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, এর সফল বাস্তবায়নে দেশবাসীর অকুণ্ঠ সমর্থন পাবে দল।সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ইশতেহার তৈরিতে কাজ করেছে নানা পর্যায়ের ২৩ বিশিষ্ট জনকে নিয়ে করা কমিটি। ২০০৮ এ ‘দিন বদলের সনদ’ ২০১৪ তে ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ স্লোগানে ইশতেহার প্রকাশ করে করেছিলো আওয়ামী লীগ।
এবার স্লোগান ঠিক করা হয়েছে ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ’। ৬৪ পৃষ্ঠার সম্বলিত ৭ অধ্যায়ের ইশতেহারে থাকছে ২১টি বিশেষ অঙ্গীকার। ১৮ই ডিসেম্বর ইশতেহারটি জাতির উদ্দেশে তুলে ধরবেন শেখ হাসিনা।
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইমস নিউজ



























